fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফান দুর্নীতির প্রতিবাদে পঞ্চায়েত সদস্যকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে তৃণমূল পঞ্চায়েতের সদস্যকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল বাসিন্দারা। নদীয়ার কল্যাণী মহকুমার কাঁচড়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চড় জাজিরা এলাকার ঘটনা। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে পাকা বাড়ি থাকলেও পঞ্চায়েত সদস্য রামলু মাহাতো আমফান ক্ষতিপূরনের টাকা নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাসিন্দারা ওই সদস্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবি এলাকার প্রায় ৫০টি পরিবার ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগের তেমন কোনঅ ক্ষয়ক্ষতি হয়নি৷ যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারা টাকা পায়নি। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত ওই পঞ্চায়েত সদস্য রামলু মাহাতো, মা যামিনী মাহাতো, বোন সীমা মাহাতো ও ভাই রবি মাহাতোর নামে এসেছে ক্ষতিপূরণের টাকা। একই পরিবারের চারজন কিভাবে ক্ষতিপূরণের অনুদান পায় সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীরা।

[আরও পড়ুন- বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ফুলহার নদীর জল, শুরু ভাঙন]

চাষবাস, সবজি বিক্রি করে মূলত জীবনধারণ করেন এই এলাকার মানুষ। গঙ্গার ধারেই দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করেন অবাঙালি বহু পরিবার। আমফান ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতি হয়েছে বাড়ির পর বাড়ি। কয়েকমাস কেটে গেলেও এখনও মেলেনি ক্ষতিপূরণের টাকা। ভাঙা বাড়ির ছবি তোলা, ফর্ম জমা দেওয়া সবই হয়েছে কিন্তু তা সত্ত্বেও মেলেনি এক টাকাও। এমনটাই অভিযোগ বাসিন্দাদের। পাশাপাশি, পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর পরিবারসহ যাঁদের কোনও ক্ষতিই হয়নি তাঁরা পেয়েছেন ক্ষতিপূরণের অনুদান। অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের।

শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার চড়জাজিরা এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে একটি পোস্টার। যেখানে প্রকাশ করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্থদের একটি তালিকা। সেখানে পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর পরিবারের নাম রয়েছে। নাম রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতি না হওয়া পরিবারের নাম। যা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্ষতিগ্রস্থরা। পঞ্চায়েত সদস্য রামলুর বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এই বিষয়ে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য বলেছেন, “আমার বাড়ি ভেঙে ছিল তাই নিজের নামে টাকা নিয়েছি। বাকিদের বিষয়ে ভুল থাকলে তা তদন্ত করে দেখা হবে।” এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে চলে যান।

 

Related Articles

Back to top button
Close