fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ডেঙ্গু দমনে গাপ্পি মাছেই ভরসা রাখছে পুরসভা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডে চালু হল ডেঙ্গু প্রতিরোধে গাপ্পি মাছ ছাড়ার কাজ। রবিবার ছুটির দিনেও এলাকার কাউন্সিলর বা ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের উদ্যোগে এই গাপ্পি মাছ এলাকার বিভিন্ন জলাশয়, নর্দমা নালা প্রভৃতি জায়গায় ছাড়া হয়।
ভরা বর্ষায় ডেঙ্গু উপশমের জন্য কলকাতা পুরসভার একমাত্র হাতিয়ার গাপ্পি মাছ। তাই বাগবাজার এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কোডিনেটর বাপি ঘোষ শনিবার পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের হাতে তুলে দিয়ে ছিলেন প্রায় দুই লক্ষ গাপ্পি মাছ। এখন এই দু লক্ষ গাপ্পি মাছ কলকাতা পুরসভার অধীনস্থ ১৪৪ টি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে ছাড়বে পুর কর্মীরা।
করোনার মাঝে পুরসভার নতুন করে চিন্তা বাড়িয়েছে ডেঙ্গু। তাই কোনভাবেই ডেঙ্গু কে অবহেলা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরকর্তৃপক্ষের তরফে।

মানুষকে বাঁচাতে হবে সাথে মাছেদের ও খাবার জোগান দিতে হবে। তাই এই পরিস্থিতিতে গাপ্পি মাছের ভরসা রাখতে চলেছে পুরসভা। বাপি বাবুর কথায়, “মানুষকেও বাঁচাতে হবে, মাছেদের খাবারও তৈরি করে মাছও বাঁচাতে হবে। যা ডেঙ্গুর লার্ভাকেও মারবে , পড়ে নষ্ট হওয়ার পথে যাওয়া মাছের গতিও করবে।”

দীর্ঘদিন পাট বন্ধ থাকায় মাছ গুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল বাগবাজারের প্রায় দেড়শো জন মাছ চাষী স্বইচ্ছায় প্রায় দু লাখ গাপ্পি মাছ তুলে দিলেন তাদের 8 নম্বর ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর বাপি ঘোষ এর হাতে। আবার বাপি ঘোষ সেই মাছ তুলে দিলেন পুরসভার প্রশাসকের হাতে। এই প্রসঙ্গে ওয়ার্ড কো অর্ডিনেটরের বক্তব্য, “এই মাছ পড়ে থেকে নষ্ট হলে। আরও ক্ষতি বেশি হত চাষিদের। তাই ওরা চেয়েছিল অন্তত মানুষের কাজে আসুক। আমাকে এই মাছ দিতেই আমি এগুলো পুরসভাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

বাপিবাবু আরও বলেন, ” জনপ্রতিনিধি হিসেবে সেই মাছই আমার ডেঙ্গু দমনের হাতিয়ার হবে বলে মনে করি। একে করোনা। গোদের ওপর বিষফোড়া ডেঙ্গু। মশা মারতে কামানের চেয়ে গাপ্পি মাছই বড় সমাধান বলে আমি মনে করি। গাপ্পি গিলে নেয় মশার লার্ভাকে। একদম শুরুতেই আঘাত হানে।”

Related Articles

Back to top button
Close