fbpx
অন্যান্যঅফবিটহেডলাইন

প্রদেশেভেদে ভাইফোঁটার ভিন্নতা

দোয়েল দত্ত: প্রতিবারের মতো কালীপুজো বা দীপাবলির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যে উৎসবটি জড়িয়ে থাকে, সেটি হল ভাইফোঁটা৷ দীপাবলির পরের দিনটি ভাইফোঁটা উদযাপন হয়৷ তবে অঞ্চল ও প্রদেশভেদে এই উৎসবের রীতিনীতি ও নামের ভিন্নতা আছে৷ আজকের আলোচনা ভাইফোঁটার বিভিন্ন নাম নিয়ে৷ তবে উপাচারগত পাৰ্থক্য থাকলেও ভাইয়ের মঙ্গলকামনায় বোনের ফোঁটা দেওয়া আর খুনসুটির দুষ্টুমিষ্টি সম্পর্কে উপহার দেওয়ার প্রথা সব জায়াগতেই এক, বিবিধর মাঝে এ যেন এক মহামিলনক্ষেত্রে। সারা ভারতের লোকেদের কাছে এই দিনটি যমদ্বিতীয়া, যেহেতু মৃত্যুর রাজা যমরাজ তার বোন যমির সঙ্গে একত্ৰে এই অনুষ্ঠানটি পালন করেছিলেন৷ তবে এটা নিতান্তই শাস্ত্রের ব্যাখ্যা৷

ভাইদুজ

উত্তর ভারতে মানে উত্তরপ্রদেশ, হিমাচল, রাজস্থান, পঞ্জাব সর্বত্র একে বলা হয় ভাইদুজ৷ বিক্রম সম্বৎ নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনে এই ভাইদুজ পালিত হয়৷ ওখানে অবশ্য দ্বিতীয়াতে ফোঁটা হয়৷ পঞ্জাবে তো ফোঁটা দেওয়ার পরে উপহার পাওয়া নিয়ে ভাইবোনের মধ্যে রীতিমতো খুনসুটি শুরু হয়ে যায়৷

ভাইটিকা:

নেপালে আমাদের বঙ্গীয় সংস্কৃতির ভাইফোঁটার নাম ভাইটিকা৷ বিজয়া দশমীর পরে এটি নেপালের সবচেয়ে বড় উৎসব হিসাবে পালিত হয়৷ তিহার উৎসব চলাকালে তার পঞ্চম দিনটিকে ভাইফোঁটা বলে মানা হয়৷ নেপালের খাস জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রথাটির বিশেষ প্রচলন আছে৷

ভাইফোঁটা

আমাদের অতি পরিচিত বঙ্গ সংস্কৃতিতে কালীপুজোর পরের দিন প্রতিপদে কিংবা তার পরের দিন দ্বিতীয়াতে ফোঁটা হয়৷ দ্বিতীয়াতে হওয়ার জন্য অনেকে একে ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বলেও অভিহিত করেন৷ ‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা’ এই মন্ত্র বলে বছরের পর বছর ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করে থাকেন আপামর বঙ্গবাসী বোনেরা৷

ভাউ বিজ
মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও কোঙ্কন উপকূলের লোকেদের কাছে ভাইকে ফোঁটা দেওয়ার এই পবিত্র সংস্কৃতি ভাউ বিজ নামে পরিচিত৷ কর্ণাটক, গোয়া ও গুজরাতের একটা বিশাল অংশ জুড়ে মানা হয় এই প্রথা৷

ভাগিনী হস্ত ভোজানামু

অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় ভাইফোঁটা এই নামে পরিচিত৷ তবে বাংলার তুলনায় এদের রীতিনীতিগুলি ঈষৎ ভিন্ন৷

Related Articles

Back to top button
Close