fbpx
কলকাতাহেডলাইন

AIMS- এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অবদান অনস্বিকার্য: ডেরেক

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: এইমসের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব কেন্দ্রের। মানতে নারাজ তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার দাবিকে খারিজ করলেন ডেরেক।
বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠকে নাডা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্য নিজের নামে চালাচ্ছে। অর্থাৎ নাড্ডার কথায় টাকা দিচ্ছেন মোদি নাম কিনছেন মমতা।বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার অভিযোগের কড়া জবাব দিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। সাংবাদিক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এআইআইএমএস জন্য রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তিনি জানান ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন রায়গঞ্জে কৃষিজমি থাকার কারণে সেখানে সমস্যা রয়েছে এআইআইএমএস করার ব্যাপারে। আদর্শ জায়গা কল্যাণী, চাইলে সেই চিঠি বিজেপি সভাপতি কে মেইল করে পাঠাতে পারেন বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন এই তৃণমূল নেতা। কল্যাণীতে এআইআইএমএস এর জন্য রাজ্য সরকার বিনামূল্যে ১৮০ একর জমি দিয়েছে বলেও জানান তিনি। সেখানকার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য জাতীয় সড়ক ৩৪ থেকে এআইআইএমএস পর্যন্ত ৪১ কোটি টাকা খরচ করে চার লেনের রাস্তা তৈরি হচ্ছে। ১১ কোটি টাকা খরচে সেখানে স্থায়ী বিদ্যুৎ পরিষেবা এবং ১১৬ কোটি টাকা খরচে ২৪ ঘন্টা জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। এআইআইএমএস এর পাশাপাশি রেশন কার্ড নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, রাজ্যের ১০ কোটি মানুষকে ২ টাকা কেজি দরে রেশন সামগ্রী দেওয়া হয় খাদ্য সাথী প্রকল্পের আওতায়। তিনি জানান করোনার কারণে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া চালু হয়েছে এবং তা ২০২১- এর জুন পর্যন্ত চলবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ডেরেক ও’ব্রায়নের অভিযোগ ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের চালু করা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, ২০১৬ সালে রাজ্য সরকারের চালু করা স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের বিকল্প। তার মতে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের সাড়ে সাত লক্ষ মানুষকে পরিষেবা প্রদান করা হয় এবং এটি শুধুমাত্র একটি রাজ্যে চালু আছে। তাঁর অভিযোগ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের দেওয়া সাড়ে ১২ কোটি কার্ড এর মধ্যে ৪.৬ কোটি রাজ্য সরকারের কার্ড। তৃণমূলের অভিযোগ রাজ্য সরকারের যে কোনো ভালো কাজ এর কৃতিত্ব নিয়ে নিতে প্রচন্ড আগ্রহী কেন্দ্রীয় সরকার এবং তারা নিজেদের ব্যর্থতার দায় রাজ্য সরকারের ঘাড়ে চাপায়। ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন রাজ্য সরকারকে তাদের কাজ করতে দিক কেন্দ্র এবং তারাও তাদের নিজেদের কাজ করুক।
এছাড়াও কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয়া ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা দ্রুত মেটানোর দাবি জানান ডেরেক ও’ব্রায়েন।

Related Articles

Back to top button
Close