fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সরকারী অনুমতি থাকলেও এখনই ধর্মস্থান খুলতে রাজি নয় অনেকে

মোকতার হোসেন মণ্ডল: সরকারি অনুমতি থাকলেও এখনই ধর্মস্থান খুলতে রাজি নয় বিভিন্ন ধর্মের কর্তৃপক্ষ। হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টানদের অনেকে বলছেন, করোনা ভাইরাস জনিত সতর্কতা হিসেবে আরও কিছুদিন ধর্মস্থান যেভাবে আছে সেইভাবে থাক।

 

 

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বিধি মেনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিলেও বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া এক প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন, আগে সমস্ত কোর্ট, সরকারি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খুলুক, জনজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে আগে ভাবা হোক। এখনই ধর্মস্থান খোলার খুব দরকার নেই। তাঁর মতে, এখনো পরিস্থিতি ভয়াবহ। তাই আমাদের পরামর্শ এতদিন যেভাবে নামাজ পড়া হত সেভাবেই নামাজ পাঠ জারি থাকুক। আমরা মসজিদ কমিটিগুলি ও ইমামদের কাছে আহ্বান জানাব যে মসজিদের দরজা খুলবেন না। মসজিদ সবার জন্য আরও এক মাস খোলা না হলেও কোনও সমস্যা নেই। এদিকে দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, স্যানিটাইজেশন সহ সুরক্ষার নানান ব্যবস্থা করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন। মন্দিরের ট্রাস্টি এবং সম্পাদক কুশল চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, “প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সুরক্ষা সম্পর্কিত অনেকগুলি বিষয় রয়েছে। খোলার আগে আমাদের এই সমস্ত বিষয়গুলি তৈরি করতে হবে”।

 

 

বেলুরমঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের এক মুখপাত্র বলেন, “আরও ১৫-২০ দিনের আগে মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। আমরা সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আলোচনা করে এবং তার ব্যবস্থা করে তবেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করব”। তারাপীঠ মন্দির কমিটিও ১৪ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। তবে বৌদ্ধ ধর্মের নেতা ড: অরুণজ্যোতি ভিক্ষু জানান, সরকারের নির্দেশ মেনে সোমবার থেকে অল্প কিছু লোক নিয়ে খোলা হবে। ৮ জুন থেকে ধীরে ধীরে পুরো খুলে দেওয়া হবে।

 

 

শিখধর্মের নেতা বচন সিং সরল বলেন, ইতিমধ্যেই গুরুদুয়ারা খুলে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে অল্প অল্প করে লোক আসছেন।
খ্রিস্টান ধর্মের কলকাতার আর্কডিওসিসের ফাদার ডোমিনিক গোমস বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই, তবে সমস্ত সুরক্ষার নিয়মাবলী মানতে হবে। আমাদের গির্জায় একসঙ্গে ১০ জন ভক্তকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে সমস্ত সুরক্ষার পদক্ষেপ করতে হবে”।

Related Articles

Back to top button
Close