fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানে বিধ্বস্ত সুন্দরবন, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে মানুষের পাশে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আমফানের পর পর্যাপ্ত ত্রাণ পেলেও চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত সুন্দরবনের মানুষ। তাই বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ সামগ্রী নিয়ে প্রত্যন্ত সুন্দরবনের এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ালো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসরদের তিনটি সমাজসেবী সংগঠন। একদিকে যেমন করোনা প্রতিরোধে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে লকডাউনের জেরে শহরমুখী হতে না পারা। অন্যদিকে, আমফানের তাণ্ডব কেরে নিয়েছে সবকিছুই। অন্যান্য শারীরিক অসুবিধা তো রয়েছেই। তার ওপর বন্যার পর থেকে লেগেই থাকে ডায়রিয়ার, ম্যালেরিয়া মতো জল বাহিত রোগ। সেই আশঙ্কায় সুন্দরবনের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির ও ওষুধ বিতরণের কাজ করে চলেছে এই সমাজসেবী সংগঠনগুলো।

শুধু স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা ওষুধ বিতরণী নয় তিনটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবনবাসীর হাতে তুলে দেওয়া হল চাল, ডাল, তেল, নুন সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও বেশ কিছু শুকনো খাবার। এছাড়াও মহিলাদের জন্য দেওয়া হলো কিছু বস্ত্র। হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকরায় স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়।  অন্যদিকে, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে প্রত্যন্ত সুন্দরবনের হেমনগর থানা এলাকার সামসেরনগর, মালেকানঘুমটি সহ একাধিক গ্রামে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির, চিকিৎসার পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ, স্যানিটাইজার ও ন্যাপকিন বিতরণ করেন চিকিৎসক জীবন বোস, চিকিৎসক কনজ চক্রবর্তী, অমিতা পাঠক, রিনিসেঠরা।

আরও পড়ুন: হু হু করে ঢুকছে ডাসা নদীর জল, সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ প্লাবিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

হিঙ্গলগঞ্জের স্বাস্থ্য শিবিরে এদিন আসেন বাচ্চা, মহিলা, গ্রামের বয়স্ক মানুষরা। শুধু এদিনই নয় আগামী দু মাস ধরে লাগাতার এই পরিসেবা চালিয়ে যাবেন বলে জানান সংগঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা আতাউর রহমান। এর আগেও সুন্দর বনের দক্ষিণ ২৪পরগনার গোসোবা, ক্যানিং সহ বিভিন্ন এলাকায় তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির এর অন্যতম আয়োজক ইকবাল আহ্মেদ মুকুল জানান, দুমাসের উপর লকডাউন। আমাদের রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে একদিকে যেমন খাদ্যের অভাব, অন্যদিকে অসুস্থ হলে নেই চিকিৎসার ব্যবস্থা। এইরকম পরিস্থিতিতে গ্রামের মানুষের জন্য এই রকম পরিষেবা খুবই দরকারি। চিকিৎসক সংগঠনকে পাশে পেয়ে গ্রামবাসীরাও খুবই উপকৃত হয়েছেন।

Related Articles

Back to top button
Close