fbpx
গুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

বাংলাদেশে ধবংসলীলা চালালো সিত্রাং! ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে প্রাণহানি কমপক্ষে ৩৫ জনের, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: সিত্রাংয়ের তাণ্ডব কেড়ে নিল ৩৫ জনের প্রাণ। আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট মতোই এই ঘূর্ণিঝড় তার ধবংসলীলা চালালো। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী সিত্রাংয়ের করাল গ্রাসে  মোট ১৬ জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে। সেখানকার সন্দ্বীপ চ্যানেলে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস ও ঢেউয়ে বালি তোলার ড্রেজার ডুবে ৮ শ্রমিকের প্রাণহানি হয়েছে।  ভোলায় গাছচাপা পড়ে ও জলে ডুবে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। কুমিল্লায় গাছচাপা পড়ে বাবা, মা ও সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া টাঙ্গাইলে ঝড়ের কবলে পড়ে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য ও এক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বরিশাল জেলায় ৩ হাজার ১৪১টি ঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত । ঝড়ে এ জেলার ৮৭টি ইউনিয়নের ৯০ হাজার ৬২১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর,  ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ির মধ্যে ২ হাজার ৫০৮টি আংশিক ও ৬৩৩টি ঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দুর্যোগকবলিত ইউনিয়নের সংখ্যা ৫টি, দুর্গত মানুষের সংখ্যা ১ হাজার। বিধ্বস্ত ঘরবাড়ির মধ্যে আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৩০টি ও পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৫টি।

গৌরনদী উপজেলায় দুর্যোগকবলিত ইউনিয়নের সংখ্যা ৮। এসব ইউনিয়নে দুর্গত মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ৫০০। বিধ্বস্ত ঘর বাড়ির মধ্যে আংশিক ১০০টি ও ১৫টি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

উজিরপুর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নের সংখ্যা ১০। এসব ইউনিয়নে দুর্গত মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ২০০। এসব ইউনিয়ন ১৫০টি ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close