fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

বিধ্বংসী টর্নেডোর কবলে লন্ডভন্ড আমেরিকা, বাড়ছে মৃত্যুমিছিল, ধসে পড়ল আমাজন কারখানা

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে লন্ডভন্ড আমেরিকা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বাড়তে পারে মৃত্যুর সংখ্যা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপূর্বের কেনটাকিতে শুক্রবার মধ্যরাতে হানা দিয়েছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ”আমেরিকার ইতিহাসে অন্যতম বড় ঝড় হানা দিয়েছে।” সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এখন কেনটাকি। বিস্তীর্ণ এলাকা ঝড়ে একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জো বাইডেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি সমস্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। ইতিমধ্যেই তিনি দুর্গত এলাকার রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলেছেন। সরকারের তরফ থেকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে দুর্গত এলাকাগুলিতে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন কর হবে।

 

কেনটাকির গভর্নর জানিয়েছেন, সেখানেই অন্তত ৭০জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে মর্মান্তিক রাত দেখল কেনটাকি। কেনটাকির ইতিহাসে এত ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আগে কখনও হয়নি।‘ টর্নেডোতে কেনটাকিতে একটি মোমবাতি কারখানা ছাদ উড়ে গিয়েছে। পশ্চিম ইলিনয়ের একটি আমাজন গুদাম, আরকানসাসের একটি নার্সিং হোম ধসে পড়ে। বহু মানুষ চাপা পড়েছে।

স্থানীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মিসৌরি, টেনেসি এবং মিসিসিপি সহ কমপক্ষে ছয়টি রাজ্যে ৩০ টিরও বেশি টর্নেডোর খবর পাওয়া গেছে। আরকানসাস থেকে কেনটাকি পর্যন্ত ২৫০ মাইলেরও বেশি প্রসারিত জায়গায় এই টর্নেডো আঘাত হেনেছে।

ইলিয়নসের গভর্নর জেবি প্রিটজার জানিয়েছেন, ”দুর্গতদের জন্য আমি প্রার্থনা করছি। স্টেট পুলিশ ও দুর্যোগ মোকাবিলার কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।”

মেফিল্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম কেনটাকি শহর, যেখানে শুক্রবার রাতে একটি টর্নেডো মেফিল্ড কনজিউমার প্রোডাক্টস মোমবাতি কারখানায় আঘাত হানে যখন লোকেরা কাজ করছিল৷ তখন সেখানে প্রায় ১১০  শ্রমিক কাজ করছিলেন। সেখানে বহু মানুষের মারা যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close