fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

সরকার বাঁচাতে আসরে নামলেন খোদ রাজীব কন্যা, দলে থাকতে একাধিক ‘শর্ত’ পাইলটের!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  মরুরাজ্যে সরকার এখন সংকটে। একসময়ে রাহুলের ছায়া সঙ্গী আজ হাত ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিচ্ছেন বলে জল্পনা।সংকট বুঝে দেরিতে হলে আসরে নেমেছেন গান্ধী পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী । সূত্রের খবর, রবিবার রাতে বেশ কিছুক্ষণ শচীন পাইলটের সঙ্গে কথা বলেন প্রিয়াঙ্কা। প্রায় দু’দিন পর কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন পাইলটও। দলে ফেরার জন্য শীর্ষ নেতৃত্বকে তিনটি শর্ত দিয়েছেন রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী।

২০১৮ সালে রাজস্থানে বসুন্ধরা রাজে সরকার ফেলে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। তখন থেকে শচীনের পাখির চোখ মুখ্যমন্ত্রীর গদি। কিন্তু প্রবীণ অশোক গেহলটকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসায় হাইকমান্ড। শচীনকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ সহ রাজ্যের পাঁচটি মন্ত্রক দেওয়া হয়। রাজ্য কংগ্রেসের প্রধান করা হয়। রাহুল নাকি তখনই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে শচীনকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন নয়। ৪২ বছরের শচীনের হাতে এখনও যথেষ্ট সময় রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের জন্য তাড়াহুড়ো করে লাভ নেই।

বহু টানাপড়েনের পর ‘১০৭ জন’ বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী গেহলটের ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। অন্তত এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টার। এদিন সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের ডাকা বৈঠকে কতজন বিধায়ক হাজির হন, সেটা নিয়ে আগ্রহ ছিল রাজনৈতিক মহলে। কারণ, আগের দিন রাতেই পাইলট দাবি করেছিলেন অন্তত ৩০ জন বিধায়কের সমর্থন তাঁর সঙ্গে আছে। পালটা কংগ্রেস দাবি করেছিল, মুখ্যমন্ত্রী গেহলটের সঙ্গে আছেন ১০৯ জন বিধায়ক। এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় সব বিধায়ককে নিজের বাড়িতে তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। হুমকি দেওয়া হয় বৈঠকে না এলে তাঁদের বিধায়ক পদ বাতিল করে দেওয়া হবে। কিন্তু সাড়ে ১০টা পর্যন্ত দেখা যায় মাত্র ৯০ জন বিধায়ক হাজির হয়েছেন। কংগ্রেস দাবি করে, ১০৭ জন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে বৈঠকে এসেছেন। পাইলটের সঙ্গে আছেন আর মাত্র জনা দ’শেক বিধায়ক। বাকিরাও গেহলটের প্রতি আনুগত্য দেখাবেন।

আরও পড়ুন: সফল ২ দেশের উদাহরণ টেনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অমিতকে পাল্টা রাহুলের

সূত্রের খবর, টানা দু’দিন কারও ফোন না ধরার পর সোমবার রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি দলে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। কিন্তু সেজন্য তিনটি বড়সড় শর্ত রেখেছেন তিনি। এক, তাঁর চার অনুগামীকে মন্ত্রিত্ব দিতে হবে। দুই, মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে থাকা অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দিতে হবে তাঁর শিবিরকে। এবং তিন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে তাঁকেই বহাল রাখতে হবে। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের তরফে পাইলটের সঙ্গে কথা বলেছেন খোদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রিয়াঙ্কা রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সশরীরে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শর্ত না মানা অবধি তিনি দেখা করতে রাজি হননি। এখন যা পরিস্থিতি তাতে গেহলট এই শর্তগুলি মেনে নিলে পাইলট আবার কংগ্রেসে ফিরবেন। নাহলে বিজেপিতে যোগ বা নিজের দল তৈরির কথা ভাবতে পারেন তিনি। যদিও, প্রকাশ্যে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই উড়িয়ে দিয়েছেন তরুণ নেতা।

Related Articles

Back to top button
Close