fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

গভীর রাতে বারুইপুর কাছারি বাজারে বিধ্বংসী আগুন

বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মরার উপর খাড়ার ঘা। আগে রাজ্য তথা দেশ লকডাউন এ জর্জরিত অবস্থা, দোকানপাট ঠিকমতো খুলতে পারছে না, দোকানদাররা ক্রেতাশূন্য অবস্থা। তিন থেকে চার মাস সেই সময় এলাকার মানুষ ওই বাজারের কাপড় পট্টি থেকে প্রথমে ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পায়। মুহূর্তের  মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাজার ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকল দফতরে, কিন্তু দমকল আসতে দেরি করায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে আগুন।

জানা গিয়েছে, প্রায় ১ ঘণ্টা পরে প্রথমে বারুইপুর থেকে  ঘটনাস্থলে  আসে দমকলের দুটি ইঞ্জিন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের আরো ছয়টি ইঞ্জিন। এলাকার মানুষের সহযোগিতায় দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজে নামলেও জল সংকটে তাদের কাজ ব্যাহত হয়। বাজার এলাকার ঘন জনবসতিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে কোনও শ্যালো পাম্প-এর ব্যবস্থা না থাকায় জলের জন্য দমকল কর্মীরা দুশ্চিন্তায় পড়ে। অবশেষে বারুইপুর থানার শ্যালো পাম্প থেকে জল তুলে আগুন নেভাতে থাকে তারা।

আরও পড়ুন: অকাল দীপাবলি…

স্থানীয় কাউন্সিলর গৌতম দাস এর তৎপরতায় কলকাতা থেকে জল নিয়ে আরো একটি ইঞ্জিন আসে ,তবে আগুনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত দুটো নাগাদ আগুন দেখতে পায় এলাকার মানুষ। সঙ্গে সঙ্গে এলাকার মানুষ  আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও চোখের সামনে একশটিরও বেশি দোকান পুরো ভষ্মীভূত হয়ে যায়।

প্রাথমিক তদন্তে দমকলকর্মীদের অনুমান, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে। তবে এই ঘটনায় কাছারি বাজারে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি ভষ্মীভূত হয়েছে বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। রাত দুটো থেকে সকাল পাঁচটা পর্যন্ত দমকলের আটটি  ইঞ্জিন ক্রমাগত কাজ করলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। তবুও কিছু কিছু জায়গা থেকে দোয়া বেরোতে শুরু করেন দমকলের অধিক প্রচেষ্টায় সকাল সাতটার সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

Related Articles

Back to top button
Close