fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জমির জবরদখল রুখতে ডিএম অফিসে ধরনা জমির মালিক ও পরিবারের

নিজস্ব সংবাদদাতা, রায়গঞ্জঃ কোর্টের স্টেটাস কো অর্ডার থাকা স্বত্বেও জোরপূর্বক জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠলো রায়গঞ্জ ব্লকের ভাটোল ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের স্বামী রেজাউল করিম চৌধুরী ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে সোমবার রায়গঞ্জের কর্নজোড়ায় অবস্থিত জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে ধরনায় বসলেল জমির মালিক ও তার পরিবাবের সদস্যরা। যদিও জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রেজাউল সাহেব।

জানা গিয়েছে ভাটোল ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌধুরী পাড়ায় মৈনুল হক চৌধুরীর মা ও মাসীর নামে প্রায় ২৫ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৬৫ একর জমি নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। পরিবার সূত্রে দাবী করা হয়েছে ওয়ারীশ বেঁচে থাকা স্বত্বেও এই জমি ভেস্ট ল্যান্ড হিসাবে চিহ্নিত করে সরকার। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্ত হয় জমির মালিক। রায়গঞ্জ সিভিল কোর্টের পর হাইকোর্টের রায়ও জমির মালিক মৈনুল হক চৌধুরীদের পক্ষে আসে। আদালত জানিয়ে দেয় নব্বই দিনের মধ্যে জমির চরিত্র পরিবর্তন করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। এরপর মামলা সুপ্রীম কোর্টে গেলে কোর্ট স্টেসাস কো -র নির্দেশ দেয়। অভিযোগ আদালতের রায় স্বত্বেও স্থানীয় পঞ্চায়েত উপপ্রধানের স্বামী রেজাউল করিম চৌধুরী ঐ জমিতে পাকা বাড়ি তৈরী সহ বাজার বসাচ্ছেন। প্রতিবাদ করতে গেলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ে খাদে গাড়ি, মৃত্যু ৫ বন্ধুর

এরই প্রতিবাদে সোমবার জেলা শাসকের অফিসের সামনে ধরনায় বসে জমির মালিক ও পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ আদালতের রায় থাকা স্বত্বেও জোর করে জমির দখল নিচ্ছে পঞ্চায়েত উপপ্রধানের স্বামী ও তার অনুগামীরা। পুলিশ কে জানিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। বাধ্য হয়েই আজ জেলাশাসকের দপ্তরে এসেছি। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আত্মহত্যা ছাড়া উপায় নেই। অন্যদিকে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে। আমি কোনো জমি দখল করি নি। যে জমির কথা বলা হচ্ছে সেটা ভেস্ট ল্যান্ড। এলাকার এক গরীব পরিবার অনেকদিন ধরেই ওখানে ঘর করে আছে। এদিন জমির মালিক ও পরিবারের সদস্যরা জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মীনার সঙ্গে দেখা করেন। প্রশাসনসূত্রে জানা গিয়েছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Related Articles

Back to top button
Close