fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের ইস্তফা

অমিতাভ মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার: আচমকা ইস্তফা দিলেন তৃণমূল পরিচালিত কুলপি ব্লকের ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শাহানারা বিবি হালদার। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি তার ইস্তফাপত্র কুলপি বিডিও অফিসে জমা দেন। শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন প্রধান। কিন্তু দলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জেরে এই ইস্তফা বলে এলাকার মানুষের দাবি। এখনও পর্যন্ত নতুন কোন প্রধানের নাম ঘোষণা করেনি দল।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৮টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করে ১১টিতে। বিজেপি ও নির্দল ৩ টি করে ও সিপিএম ১টি আসন পায়। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। প্রধান হন শাহানারা বিবি হালদার। প্রধান গঠনের ছ’মাস পর থেকে তৃণমূলের মধ্যে মতপার্থক্য শুরু হয়। সেই মতপার্থক্যের জেরে আস্তে আস্তে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন প্রধান গোষ্ঠী।

উন্নয়নমূলক কাজকর্ম থমকে যেতে শুরু হয়। পাশাপাশি প্রধানের শারীরিক অসুস্থতা ও প্রধানের স্বামীর ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দলের মধ্যে প্রভাব ফেলে। পঞ্চায়েতের কাজকর্মের অসুবিধা হতে শুরু করে। দলের মধ্যে তার প্রভাব পড়তে থাকে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সমস্যা কাটাতে বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার সকলকে নিয়ে দলেের অভ্যন্তরে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও সমাধানের রাস্তা মেলেনি। শেষমেষ প্রধান শারীরিক অসুস্থতা ও তার স্বামীর ব্যবসায়িক সমস্যার কথা জানিয়ে ইস্তফা দেন ।

বিদায়ী পঞ্চায়েত প্রধান শাহানারা বিবি হালদার জানান, আমার গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল। চেষ্টা করেও সকলকে নিয়ে চলতে পারি নি। সেই সঙ্গে শারীরিক অসুস্থতা ও আমার স্বামীর ব্যবসায়িক সমস্যার কারণে আমি ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

Related Articles

Back to top button
Close