fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সালিশি সভা ঘিরে রণক্ষেত্র, ঢোলাহাটে বোমা-গুলিতে মৃত ১, জখম ৪

অমিতাভ মণ্ডল, ঢোলাহাট: জমির বিবাদকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বোমাবাজি, গুলিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সালিশি সভা। বোমা, গুলিতে মৃত ১, জখম ৪ জন। মৃত রফিকুল মীর (২৭)। জখমদের ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় রফিকুলের। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ঢোলাহাটের আমিরপুরে। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে আটক করে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জমির দখলকে কেন্দ্র করে আরকান মীরের সঙ্গে সুলতান মীরের মধ্যে ছিল বিবাদ। সুলতান মীরের পরিবারের লোকেরা আরকান মীরের পরিবারের লোকজনদের মারধোর করে বলে অভিযোগ। তারপর থেকে শুরু গন্ডগোল। মাস দেড়েক আগে ওই জমিকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় ঢোলাহাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা এখন জেল হেফাজতে। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অন্যতম অভিযুক্ত সুলতান ছিল ফেরার। পুলিশ সুলতানের খোঁজ চালাচ্ছিল। ঈদ উপলক্ষে  সঙ্গীদের নিয়ে বাড়িতে ফেরে সুলতান। শনিবার রাতে দফায় দফায় চলে বোমাবাজি।

[আরও পড়ুন- করোনা আবহে জৌলুষহীন রাখির বাজার]

এদিন সকালে বিষয়টি নিয়ে গ্রামে সালিশি সভা বসে। সেই সালিশি সভা চলাকালীন সুলতান দলবল নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আরকানের উপর হামলা চালায়। আমিরপুর এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বোমাবাজির পাশাপাশি গুলি চলে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল কয়াল ও রফিকুল মীর। আসাদুলের পিঠে ও রফিকুলের পেটে গুলি লাগে।  বোমার আঘাতে জখম হন বাসার মীর সহ ৩ জন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close