fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বাংলার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন দিদি: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: লকডাউনের চতুর্থ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু ছাড় ঘোষণা করেছেন। সেলুন, পার্লার খোলার, হকার্স মার্কেট খোলার অনূমতিসহ আরও কিছু ছাড় দিয়েছেন। এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার সল্টলেকের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘ হকার্স মার্কেট খুলে দিলে কিভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে? এমনিতেই ছোট জায়গা। ক্রেতা, বিক্রেতাদের ভিড় হবেই। যদি কেউ সংক্রামিত হয়ে মারা যান কে দায়িত্ব নেবে? দুদিন না খেয়ে থাকা যায়, কিন্তু প্রাণটা চলে গেলে কি হবে? কেন্দ্রীয় সরকার তো খাবারের সংস্থান করেছে। আমার মনে হয় এরমধ্যে ও রাজনীতি আছে।’

এরপরই তিনি কটাক্ষ করেন, ‘ দিদি সারাজীবন শুধু রাজনীতি ছাড়া কিছুই করেননি। মৃত্যু থেকে জন্ম, অন্নপ্রাশন থেকে বিয়েবাড়ি সবেতেই দিদির রাজনীতি। সিঙ্গুরে হাইওয়ে জ্যাম করে রাজনীতি করেছেন, বিধানসভায় চেয়ারকে বিল ভেঙে রাজনীতি করেছেন। এখন উনি বকধার্মিক সাজছেন। দেখ আমি কতো ভালো, তোমাদের জন্য সব খুলে দিলাম।’
সন্ধ্যা ৭ টা থেকে সকাল ৭ টা নাইট কারফিউ মুখ্যমন্ত্রী মানছেন না। উনি বলছেন কার্ফু শব্দে আপত্তি আছে। তবে সন্ধ্যা ৭ টায় পর কেউ বাইরে বেরোলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ পুলিশের কি অতো ক্ষমতা আছে? লকডাউন মানাতে গিয়ে মার খায়। আসলে কেন্দ্র যা বলবে উনি তার উল্টো দিকে হাঁটবেন।’

আরও পড়ুন: দিদির সরকার কুম্ভকর্ণের নিদ্রায় শুয়ে আছে: রাহুল

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় প্যাকেজে রাজ্যের হাতে কিছুই আসবে না। এই প্যাকেজ অশ্বডিম্ব ছাড়া কিছু নয়। বিজেপির মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, ‘ রাজ্যগুলো কিছুই না পেলেতো দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যেত। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় ঢুকে আছে হাতে কাঁচা টাকা চাই। তারপর এই আয়শার টাকা, বুলবুলের টাকা নিয়ে যেমন হয় মোচ্ছব করবো। কিন্তু মোদি সরকার এবার তার করতে দেবে না। নির্দিষ্ট প্রকল্পের টাকা যাতে সেক্ষেত্রে ই খরচ হয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ হয় তাহলে নিশ্চিত করা হচ্ছে। যাতে ওই টাকা ফড়েদের হাতে, নেতাদের হাতে না যায়। তাতেই দিদির এতো কষ্ট।’

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ শুনলাম উনি দাবি করেছেন আড়াই থেকে তিন লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক এনেছেন। যতদূর জানি ১৬ টা ট্রেন এসেছে। তাতে খুব বেশি হলে আড়াই হাজার লোক এসেছে, তিন লক্ষ হয় কী করে? আসলে দুদিন পর উনি বলবেন পাঁচ লক্ষ লোক এসে গিয়েছে। আর কেউ আসার নাই। ওদিকে বাইরে ৫০ লক্ষ লোক পড়ে থাক।’

Related Articles

Back to top button
Close