fbpx
হেডলাইন

দিদি ভোট রাজনীতির জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত অসুরক্ষিত রাখতে চান: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: লাদাখে চিনের আগ্রাসনের দিন রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্ত অসুরক্ষিত থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলো নানা মহলে। মঙ্গলবার বিজেপি সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে এ প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আঙুল তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট রাজনীতির দিকেই। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ সীমান্ত অসুরক্ষিত রাখতে চান।’ কেন বলছেন তিনি একথা? দিলীপ ঘোষের জবাব, ‘ পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি হলো সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি,নকল ভোটারদের দিয়ে ভোট করার রাজনীতি, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ভোটার বানানোর রাজনীতি।

আগে এভাবে সিপিএম জিততো, এখন তৃণমূল জিতছে। আসলে দিদি ওপারের লোকেদের দিয়ে ভোট দেওয়াতে না পারলে জিততে পারবেন না। তাই দিদি চাইছেন না বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর অসুরক্ষিত ১০০০ কিলোমিটার কাঁটা তারের বেড়া দেওয়া হোক। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিচ্ছেন না।’ তিনি বলেন, ‘ বিগত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হিসাবে রাজনাথ সিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, আপনারা নিজেরা জমি কিনে নিন। অর্থাৎ রাজ্য জমি দেবে না। কিন্তু উনি যেটা ভুলে যাচ্ছেন, রাজ্য অসুরক্ষিত হলে গোটা দেশ অসুরক্ষিত হয়ে পড়বে।’

লাদাখে চিনা আগ্রাসন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের সেনা সতর্ক রয়েছে, যোগ্য জবাব দিয়েছে। কিন্তু আমরা সীমান্তে উত্তেজনা চাইনা। করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই দেশের মানুষ সঙ্কটে রয়েছেন। এর উপর যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হোক আমরা চাইনা। আমাদের বিশ্বাস আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে।’ তিনি বলেন, ‘ চিন নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নষ্ট করতে চাইছে, কিন্তু নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক শুধু নয়, পৌরাণিক। তাই নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অটুট থাকবে।’

আরও পড়ুন: তিন মাসের মধ্যেই এন্টি বডি টেস্টের নিজস্ব পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চায় কলকাতা পুরসভা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এবার বাংলা ডাক পায়নি বলে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ ওঁকে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে ডাকলে,না গিয়ে হেডলাইন হন। এবার ভাষণ দিতে ডাক না পেয়েও হেডলাইন হয়েছেন, তাহলে আর কিসের কষ্ট। তিনি বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে ডাকলে দিল্লি যান না, ভিডিও কনফারেন্সে অনুপস্থিত থাকেন। এখন কি এমন হল যে বৈঠকে ডাক না পেয়ে এতো গোঁসা। রাজ্যের লোক আপনার ভাষণ শোনেন না, প্রধানমন্ত্রী কেন শুনবেন? টাকার দরকার হলে চিঠি লিখূন। টাকার কথা টাকার জায়গায় হবে, ভিডিও কনফারেন্স টাকা চাওয়ার জায়গা নয়।’

 

Related Articles

Back to top button
Close