fbpx
কলকাতাহেডলাইন

কিষাণ সম্মান নিধির টাকাতেও কাটমানি চান দিদি! রাজভবনের দ্বারস্থ বিজেপি

শরণানন্দ দাস,কলকাতা: কৃষক বিল নিয়ে সংসদের মতো রাজ্য রাজনীতিও উত্তপ্ত। মঙ্গলবার এ নিয়ে রাজ্যপালের টুইট, পত্রবোমা সাংবাদিক বৈঠক, পাল্টা তৃণমূলের টুইট, দিনভর নবান্ন, রাজভবন টানাপোড়েন চলল। সেই উত্তেজনার রেশ না মেলাতেই বুধবার সকালেই রাজ্যপালের কাছে কৃষিবিল ইস্যুতে তৃণমূলের বিভ্রান্তি মূলক প্রচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালো রাজ্য বিজেপি। এদিন দলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল, কিষাণ মোর্চার সভাপতি মহাদেব সরকার, সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত, বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় রাজ‌পালের সঙ্গে দেখা করেন।

রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যের কৃষকদের ঠকাচ্ছেন। শুধু মাত্র তাঁর বিরোধিতার কারণে ২০১৮ য় চালু হওয়া প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি এ রাজ্যে কার্যকর হয়নি। সেই কারণেই বাংলার কৃষকরা ৮, ৪০০ কোটি টাকা পাননি।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ দিদি এখন বলছেন, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকে চিঠি পাঠিয়ে জানিছেন প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির টাকা রাজ্যকে পাঠাতে হবে। আমাদের প্রশ্ন যেখানে সারা ভারতবর্ষে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা জমা পড়ে সেখানে এ রাজ্যে কেন কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই প্রকল্পের টাকা জমা পড়বে না। অর্থাৎ আম্ফানের ক্ষেত্রে যেমন কাটমানি খেয়েছিলেন, তেমনি এক্ষেত্রেও কাটমানি খাবেন দিদি। আমরা এই বিষয়টিতে রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’

আরও পড়ুন:  শীতের আগেই ৫ লক্ষ Rapid অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট কিনতে চলেছে স্বাস্থ্য দফতর

এই প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন’, রাজ্যপাল আমাদের বলেছেন, এই প্রশ্ন তিনিও তুলেছেন কেন্দ্রের টাকা কেন মুখ্যমন্ত্রী বিলিবণ্টন করবেন? কেন সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়বে না? রাজ্যপাল বলেছেন এ রাজ্যের একজন কৃষকও যেন বঞ্চিত না হয় সেটা দেখা তাঁর সাংবিধানিক কর্তব্য, এবং সেটা তিনি দেখবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ কৃষকদের সশক্তিকরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি বিল এনেছে । এই বিল নিয়ে মিথ্যাচার করছে, বিলে যা নেই তাও প্রচার করছে তৃণমূল। আমাদের প্রশ্ন গত মার্চ, এপ্রিলে ১০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছিল চাষিরা। এখন সেই আলু ৪০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। চাষিরা এর এক টাকাও পাচ্ছে না। তাহলে এই টাকা পাচ্ছে কারা? কেন মুখ্যমন্ত্রী আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না? কারণ দলের উপর মুখ্যমন্ত্রীর নিজের আর নিয়ন্ত্রণ নেই।’

Related Articles

Back to top button
Close