fbpx
অন্যান্যঅফবিটআন্তর্জাতিককলকাতাগুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পুরনো সাথীদের ভোলেননি, নবতিপর…বঙ্গ বিজেপি নেতাদের ফোন করে বার্তা মোদির

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একশো তিরিশ কোটি ভারতবাসীর প্রধানমন্ত্রী হয়েও পুরনো সাথীদের তিনি ভোলেননি। গত ২৩ এপ্রিল বিকেলে তিনি ফোন করেন রাজ্য বিজেপির এগজিকিউটিভ সদস্য ড. অনিন্দ্য গোপাল মিত্র, রাজ্য কমিটির সদস্য এস.এন.লাম্বা ও কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন সভাপতি রঞ্জিত করকে।

করোনার সঙ্কটময় মুহূর্তে তাঁরা কেমন আছেন, শরীর- স্বাস্থ্য কেমন খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাভাবিক ভাবেই উজ্জীবিত বঙ্গ বিজেপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন করোনার এই সঙ্কটের মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর ফোন বঙ্গ বিজেপির নেতা থেকে সাধারণ কর্মী সবার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

রাজ্য বিজেপির এগজিকিউটিভ সদস্য ড.অনিন্দ্যগোপাল মিত্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করেন, গোপাল দাদা কেমন আছেন? উনি একসময় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক ছিলেন। আমরা তখন একসঙ্গে কাজ করেছি। তখন থেকেই উনি আমাকে গোপাল দাদা বলে ডাকতেন। জানতে চাইলেন করোনারি এই পরিস্থিতিতে আমার শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে? আমার দাদা প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক অসীম মিত্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করলেন। এতোদিন পরেও প্রধানমন্ত্রী মনে রেখেছেন, আমি অভিভূত।’

রাজ্য বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য প্রবীণ এসএন লাম্বা বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়ে আমি মুগ্ধ। উনি আমাকে বললেন, আপনি আমার পুরনো সাথী। কেমন আছেন? শরীর, স্বাস্থ্য কেমন,? আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই।’ কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন জেলা সভাপতি ৯০ বছরের রঞ্জিত কর বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী ফোন করে আমার শরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়ে দলে আমার কাজকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমার কাছে আশীর্বাদ চাইলেন। আমি মোদিজির দীর্ঘ, নীরোগ জীবনের কামনা করছি।’

তিন প্রবীণ নেতার কাছেই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনজনেই করোনা তথ্য গোপন, রেশন দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি বিজেপির নেতা, কর্মীদের ত্রাণের কাজে তৃণমূলের বাধাদানের অভিযোগ জানিয়েছেন। রাজ্য বিজেপির একটি মহলের পর্যবেক্ষণ রাজনীতি আর জনসম্পর্ক একসঙ্গেই সেরে নিলেন মোদি।

Related Articles

Back to top button
Close