fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দিঘার হোটেলে স্থানীয়দের চাপে পর্যটকদের রাখতে পারল না হোটেল কতৃপক্ষ

মিলন পণ্ডা, দিঘা (পূর্ব মেদিনীপুর): সৈকত নগরী মন্দারমনি পর সৈকত শহর দিঘার হোটেল খোলাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। সরকারী নির্দেশ পেয়ে সৈকত সুন্দরী দিঘা ও শঙ্করপুর বৃহস্পতিবার থেকে হোটেল খোলা হয়েছিল। শুক্রবার সৈকত নগরী দিঘায় হোটেল খোলাকে কেন্দ্র করে মহিলা থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বিক্ষোভের জেরে একের পর এক বন্ধ হতে থাকে হোটেল।

এরপরই একের পর এক পর্যটক হোটেল ছাড়তে বাধ্য হয়। এই নিয়ে হোটেল মালিকরা পুলিশ ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোন সমাধান সূত্র মেলেনি।

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার নির্দেশে গত ৮ জুন থেকে সমন্ত হোটেল খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশের অনুসারে সৈকত নগরী মন্দারমনিতে একাধিক হোটেল খুলে দেয় মালিক কতৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার থেকে দিঘা ও শঙ্করপুর হোটেল কতৃপক্ষ খুলে দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে একের পর এক পর্যটক সৈকত নগরী দিঘার আসতে থাকে। রাতেই নিউ দিঘার বেসরকারী হোটেলের থাকতে শুরু করে পর্যটকরা।

এদিন সকাল থেকে স্থানীয়রা মহিলা সমিতির নেতৃত্বে নিউ দিঘার হোটেলের গিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হোটেল মালিক থেকে কর্মচারীদের পর্যটকদের হোটেল থেকে বের করে দিতে বলেন। বিক্ষোভের জেরে হোটেল ছাড়তে বাধ্য হয় পর্যটকরা।

বিক্ষোভকারীদের পক্ষে এক মহিলা বলেন পর্যটকরা হোটেলের থাকলে তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াবেন। কোনও পর্যটকের করোনা ভাইরাস থাকবে না এমন নিশ্চয়তা নেই। পর্যটকরা দিঘাতে এলে তারা হোটেলের থাকবেন। দিঘা বাজার সহ একাধিক এলাকায় ঘুরে বেড়াবেন। সেই থেকেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দিঘার হোটেলের কোন পর্যটক রাখা যাবে না বলে হুশিয়ারী দেন বিক্ষোভকারিরা।

দিঘা হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন করোনা সংক্রমন জন্য দিঘা গ্রাম সংলগ্ন হোটেল গুলি বন্ধ রাখা হয়েছে। সৈকত সংলগ্ন কিছু হোটেল খোলা হয়েছে। প্রত্যেক হোটেলের ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। সরকারী নির্দেশ ও স্বাস্থ্য বিধি মেনেই সমন্ত হোটেল খোলা হয়েছে। প্রত্যকের দিন হোটেল স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close