fbpx
কলকাতাবিনোদনহেডলাইন

করোনা আবহে নতুনত্বের ছোঁয়া… সম্পন্ন  ‘ডিজিটাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড বাংলা’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

বিপাশা চক্রবর্ত্তী: সমগ্র বিশ্ব এক কঠিন রোগে আক্রান্ত। এই মুহূর্তে সেই অতিমারীর সঙ্গে যুদ্ধ করছে গোটা বিশ্বের প্রতিটি মানুষ। আর এই সংক্রমণের থেকে হাত থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি প্রয়োজনীয় পালনীয় কর্তব্য। এই অবস্থার কথা মাথায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ডিজিটাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড বাংলা’ অনুষ্ঠান। ১০ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নতুনত্ব পরিকল্পনা সিনেমা প্রেমীদের জন্য নিয়ে আসলেন নীল রায়। অফিসিয়াল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং ফিল্মস এবং ফ্রেমের ইউটিউবে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান প্রচারিত হল।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, রায়া ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন বনি সেনগুপ্তা ও ফালাক রাশিদ রায়। পাশাপাশি বিশেষ সেগমেন্ট উপস্থাপনা করেন রিদ্ধিমা ঘোষ, ইনা সাহা, কৌতুক অভিনেতা হিসেবে খ্যাত বিশ্বনাথ বসু ও কাঞ্চন মল্লিক।

২০১৯-এর ১ এপ্রিল থেকে থেকে ৩১ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া ফিল্মগুলিকেই এই পুরস্কারের তালিকায় রাখা হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মোট ৪০টি ক্যাটাগোরি রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে গালা অ্যাওয়ার্ড সেগমেন্টয়ে বিনোদন জগতের প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের নাম রাখা হয়। শীর্ষস্থানীয় চলচ্চিত্র সাংবাদিক, জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক এবং জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতাদের সমন্বয়ে উপদেষ্টা কমিটি দ্বারা পুরস্কার বিভাগের জন্য মনোনয়নের নামকরণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:“ভারত কোনও দুর্বল দেশ নয়, ভারতের ১ ইঞ্চি জমিও নিয়ে নিতে পারবে না”: রাজনাথ সিং

‘দূর্গেশগড়ের গুপ্তধন’- বেস্ট অ্যাক্টর-এর পুরস্কার পান অভিনেতা আবির চ্যাটার্জি। ‘পরিণীতা’-বেস্ট অ্যাকট্রেস পুরস্কার পান অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি, ‘জ্যেষ্ঠ পুত্র’- বেস্ট এডিটর এর পুরস্কার পান শুভজিৎ সিংহ, ট্রেন্ডসেটিং ভূমিকায় পুরুষ বিভাগে ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ এর জন্য পুরস্কার পান অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ‘কন্ঠ’ সিনেমায় ট্রেন্ডসেটিং ভূমিকায় মহিলা বিভাগে পুরস্কার পান জয়া এহসান। ‘গুমনামি’-বেস্ট ডিরেক্টর ক্যাটাগোরিতে পুরস্কার পান সৃজিত মুখার্জি। ‘বরুণ বাবুর বন্ধু’- বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাক্টর ভূমিকায় পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘গুমনামি’ তে বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাকট্রেস বিভাগে অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী পুরস্কার পান।

‘দ্বিতীয় পুরুষ’- নেগেটিভ রোলে বেস্ট অ্যাক্টর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, তাপস পাল মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড প্রমিসিং টালেন্ট- সোহম মজুমদার, ‘ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি’- নিউ এজ ওম্যান অফ দ্য ইয়ার- ঋতাভরী চক্রবর্তী, পরিণীতা-বেস্ট মিউজিক ডিরেক্টর-অর্কপ্রভ মুখার্জি, ‘গোত্র’-সং অফ দ্য ইয়ার(রঙ্গবতী)-সুরজিৎ চ্যাটার্জি ও ইমন, ‘ডিভা অফ দ্য ডিকেড’- সুপ্রিয়া দেবী মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড- অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, ‘ভিঞ্চি দ্য’ বেস্ট স্ক্রি প্লে-সৃজিত মুখার্জি, ‘কেদারা’- বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি-শুভঙ্কর ভর, ‘পরিণীতা’-বেস্ট প্লে ব্যাক সিঙ্গার- শ্রেয়া ঘোষাল, ‘বিবাহ অভিযান’-কৌতুক অভিনয়ে বেস্ট অ্যাক্টর- অঙ্কুশ হাজরা, ‘প্রেমে পড়া বারণ’ বেস্ট লিরিক্স(সেতার)-রণজয় ভট্টাচার্য।

বেস্ট ফিল্ম- “গোত্র”। ‘গুমনামি’-বেস্ট প্রোডাকশন ডিজাইনার-শিবাজি পাল, ‘গুমনামি’-বেস্ট মেক আপ-সোমনাথ কুণ্ড, এছাড়া ‘মিতিন মাসি’ বেস্ট সাউন্ড ডিজাইনার-অনিন্দিতা রায় ও অদীপ সিং মনকি, ওটিটি প্রমিসিং ফেস- সৌরভ দাস, ‘দূর্গেশগড়ের গুপ্তধন’-হটসট ডিরেক্টর অফ দ্য ইয়ার-দূর্বা ব্যানার্জি, ‘মিতিন মাসি’-ক্যারেক্টার রোল-বিনয় পাঠক।

আরও পড়ুন:‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ সংগঠনের প্রধান নূর ওয়ালি মেসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দিল রাষ্ট্রসংঘ

ক্রিটিক অ্যাওয়ার্ড-
গুমনামি- প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি(বেস্ট অ্যাক্টর), মিতিন মাসি-কোয়েল মল্লিক (বেস্ট অ্যাক্ট্রেস), জ্যেষ্ঠ পুত্র- বেস্ট ডিরেক্টর-কৌশিক গাঙ্গুলি, কেদারা-বেস্ট-ফিল্ম, জ্যেষ্ঠ পুত্র- সুদীপ্তা চক্রবর্তী (বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাকট্রেস), জ্যেষ্ঠ পুত্র-বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাক্টর-ঋত্বিক চক্রবর্তী।

ভিউয়ার চয়েস পপুলার-

পরিণীতা-শুভশ্রী গাঙ্গুলি(বেস্ট অ্যাকট্রেস), বেস্ট ফিল্ম-পরিণীতা,  পরিণীতা- রাজ চক্রবর্তী (বেস্ট ডিরেক্টর), পরিণীতা- বেস্ট সং- শ্রেয়া ঘোষাল, পরিণীতা-বেস্ট মিউজিক ডিরেক্টর- অর্কপ্রভ মুখার্জি, পরিণীতা-বেস্ট প্লে ব্যাক সিঙ্গার- শ্রেয়া ঘোষাল, দ্বিতীয় পুরুষ- অরিজিৎ সিং (বেস্ট প্লে ব্যাক সিঙ্গার), দ্বিতীয় পুরুষ-খলনায়কের ভূমিকা বেস্ট অ্যাক্টর।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিল্মস এবং ফ্রেম ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ডের প্রতিষ্ঠাতা শ্যাম সুন্দর দে, তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নীল রায় জানান, ‘নতুন কিছু করার ইচ্ছে নিয়ে আমাদের এই ডিজিটাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের জন্ম। আমাদের টিমে যারা আছেন তাঁরা তাঁদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছেন। প্রতিটি ভাবনা, প্লট সাজানো থেকে শুরু করে অনলাইন সেট আপ সব কিছুকেই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী শক্তি এই ডিজিটাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানকে এত সুন্দর রূপে সকলের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে’।

Related Articles

Back to top button
Close