fbpx
কলকাতাহেডলাইন

দিদিমণির সঙ্গে মানুষও নেই, ভগবানও নেই: দিলীপ ঘোষ

মিলন পণ্ডা, (পূর্ব মেদিনীপুর): কৃষিবিলের সমর্থনে ময়নায় পদযাত্রা করে তৃণমূল নেত্রীকে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ । তিনি বলেন, ‘ দিদিমণির সঙ্গে মানুষও নেই, ভগবানও নেই।’ ঘটনা হলো কৃষিবিলের চূড়ান্ত বিরোধিতা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের লড়াইয়ে কৃষিবিলকে ইস্যু করতে চাইছেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ মানুষকে কৃষিবিল নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। তাই রাজ্যজুড়ে বিজেপি কৃষিবিলের প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে জেলায় জেলায় কর্মসূচি নিচ্ছে ।

 

রবিবার সকালে কৃষিবিলের সর্মথনে ময়না শ্রীরামপুর বটতলা থেকে খিদিরপুর পর্ষন্ত প্রায় ১০ কিমি রাস্তা পদযাএা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।তারপরে ময়না বকচা খিদিরপুরে একটি সভা করেন। সভায় তিনি বলেন, ‘দিদিমণির সঙ্গে কোনো মানুষ নেই। ভগবানও নেই, নেই কর্মীরাও। একজন আছেন তিনি হলেন প্রশান্ত কিশোর । তিনি বিহার থেকে এসেছেন। উনিই একমাত্র আছেন। ওঁর পরামর্শে রাজ্য চালাচ্ছেন। ভরাডুবি হবে ওঁরই পরামর্শে। ‘ এই পদযাত্রায় ৭ হাজার কর্মী অংশ নেন। পদযাত্রায় ছিলেন তমলুক সংগঠনিক জেলার সভাপতি নবারুণ নায়ক, আশীষ মণ্ডল প্রমুখ।

 

এদিনের সভায় তিনি বলেন, ‘বাড়ির জলজ্যান্ত যুবক ছেলে খুন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু খুনিদের ধরা হচ্ছে না। উল্টে যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলার দেওয়া হচ্ছে। আমাদের মায়েরা খুনি? কোন শয়তান পুলিশ অফিসার তাদের নামে এফআইআর করে দিয়েছে। তাদের শেষ দেখে ছাড়ব। আজ হোক, কাল হোক পুরো হিসাব বুঝে নেবো।’ ‘সম্প্রতি ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন,’ একটা জলজ্যান্ত যুবক ছেলেকে মেরে ফেলা হলো। তার অপরাধ ছিল সে বিজেপি করতো। ১২০ জন এরকম কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে যাদের দোষ ছিল তারা বিজেপি করতো। ‘

 

তিনি আরও বলেন ,’রাজ্যের পুলিশের একটাই লক্ষ্য, বিজেপিতে আটকাতে দিনরাত পরিশ্রম করছে।’ এদিন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল লোকেরা ভালো বলতে পারবেন। কোথায় আসবেন, কে আসবেন। আমরা দরজা বড় করে রেখেছি সবার জন্য। সবাইকে স্যানেটাইজ করে তবে নেবো।’ এদিন সকালে অবশ্য একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহরের প্রাতঃভ্রমণে বের হন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তৃণমূলের দলীয় পাটি অফিস থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্যে কালো পতাকা দেখানো হয়। ঘটনার পর উওেজিত হয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী সর্মথকরা।

 

এদিকে তৃণমূল কর্মীরা জয়ধ্বনি দিতে থাকে। অন্য কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সর্মথক জয় শ্রীরাম জয়ধ্বনি দিতে থাকে। গোটা এলাকায় চরম উওেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে উত্তেজনা এড়িয়ে ওই স্থান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে বেরিয়ে আসেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও তার কর্মীরা। এ বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “আমরা সকাল বেলায় গঙ্গার ধারে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলাম। সেখানে যদি কেউ কালো পতাকা দেখায় তাহলে ভাবতে হবে মাথা ঠিক নেই। মুখ্যমন্ত্রীর মাথা ঠিক নেই তার ভাইদের কি হবে। যাঁদের মুখ কালো হয়ে যায় তারাই কালো পতাকা দেখায়।’

Related Articles

Back to top button
Close