fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা যুদ্ধে ফের আক্রান্ত পুলিশ আইনের শাসনের দাবি দিলীপ ঘোষের

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: করোনাকে কেন্দ্র করে আরও একবার পুলিশ জনতা সঙ্ঘর্ষের অভিযোগ উঠলো। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ও হুগলির চন্দননগরে সঙ্ঘর্ষের ঘটনা আইন শৃঙ্খলার হাল বেআব্রু করে দিয়েছে মন্তব্য করেছেন। সোমবার নিজের সল্টলেকের বাসভবনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ রবিবার রাজ্যের দুটি জায়গায় মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ও হুগলির চন্দননগরে দুটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। দুটি জায়গাতেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকেদের করোনা পরীক্ষার জন্য পুলিশ গেলে সঙ্ঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশের উপর জনতা চড়াও হয়। এরপর দোকান, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। মন্দিরে আগুন লাগানো হয়। এ ঘটনা প্রমাণ করছে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। এর আগেও একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের হাতে পুলিশ আক্রান্ত হয়েছে। এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। এভাবে চললে করোনা রোখা অসম্ভব। মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করুন।’

হুগলীর সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এই হামলা লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘ আমি পুলিশ কমিশনারকে বলেছিলাম আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই। উনি রাজী হননি। ভাবুন কি অবস্থা একজন সাংসদ পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। কোথায় যাচ্ছে রাজ্য? আর একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ করোনা ছড়াবে। আর কেউ কিছু বলতে পারবে না?’

আরও পড়ুন: ‘রাজ্য সরকারগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে’, ধীরে ধীরে উঠতে পারে লকডাউন, বৈঠকে মোদি

এদিন দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের মন্ত্রীদের চ্যালেঞ্জের জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘কিছু তৃণমূলের মন্ত্রী আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন রোজ রোজ যে এতো বার বলছেন ভিনরাজ্যে থাকা এ রাজ্যের শ্রমিকদের নাম ঠিকানা রয়েছে আপনার কাছে। তালিকা দিন। আজ তাই নবান্নে মুখ্যসচিবকে ৯ লাখ ২৯ হাজার শ্রমিকের নাম, ঠিকানা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমি ৮ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে ১২ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছি। আমি তখন আমাদের রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে ১১ হাজার ৭৯০ জনের নাম পাঠিয়েছিলাম। কোন উত্তর পাইনি।’  এদিন তিনি আরও বলেন, ‘ প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে মিড ডে মিল খাতে অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে চায় কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্যের তাতে আপত্তি। কারণ তাহলে ছাত্র সংখ্যা নিয়ে কারচুপি করা যাবেনা, টাকার অঙ্কে ও কারচুপি করা যাবে না।’

Related Articles

Back to top button
Close