fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ঝাড়গ্রামে সরব দিলীপ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: বাংলায় এই সরকার যতদিন থাকবে জীবনহানি ঘটবে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট হবে, আইন শৃঙ্খলা শুরু করে নৈতিকতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চারিদিকে হিংসায় ছেয়ে গেছে। শুক্রবার বিকেলে ঝাড়্গ্রাম শহরের বিজেপির পার্টি অফিসে এসে বিজেপির বিধায়ক, কর্মী সমর্থক খুনের প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন তিনি বুথ পুনর্গঠনের জন্য যে কাজ চলছে তা দেখার জন্য মুলত ঝাড়্গ্রামে এসেছিলেন। দিলীপ বাবু সাংবাদিক সন্মেলনে বলেন, বিজেপি সব কিছু শুরু করেন বাকিরা অনুকরণ করেন। এই লক ডাউনে প্রায় চারমাস ধরে বাড়িতে বন্দি আছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বাড়িতে থাকুন সুস্থ থাকুন। আমরা উনার কথা শুনে নিয়ম মেনে বাড়িতে ছিলাম। সাংগঠনিক কাজ কিছু করিনি। লক ডাউনে মানুষের সেবা করেছি। আর যেটুকু সভা হয়েছে ভার্চুয়াল এবং ভিডিও কন্সফারেন্সের মাধ্যমে হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আমি আমাদের কর্মীরা কেমন আছেন তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করার জন্য বেরিয়েছি। এর আগে আমি যখন বেরিয়েছিলাম আমাকে পুলিশ আটকেছিল। এই পরিস্থিতিতেও ওরা আমাদের কর্মীদেরকে মারধর করছে। আর আমাদের উপর কেস দিচ্ছি। বুথ পুনগঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী চিঠি নিয়ে পরিবারে পরিবারে আমাদের কর্মীরা যাচ্ছেন। সেই কাজ কতটা প্রগতি হল সেটার দেখার জন্য এসেছি। জঙ্গলমহলে আদিবাসী, মাহাত সহ অন্যান্য জাতিদেরকে বিভাজন করা হচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে না। আমরা সামাজিক সংগঠন গুলির সাথে দেখা করি কিন্তু বলি না ঝান্ডা নিয়ে আসতে হবে। তৃণমুল তাদেরকে ঘাড় ধরে বাইরে দাঁড়করাচ্ছে। এই ভাবে বিভাজন হয়েছে। আমরা সমন্বয় বিশ্বাস করি সংঘর্ষে নয়। আর আদিবাসী সমাজের সব চেয়ে বেশি সাংসদ বা বিধায়ক বিজেপির রয়েছে। আমাদের সাংসদকে এখানে প্রশাসন কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যাতে লোকে বুঝবে বিজেপি কিছু কাজ করেনি বলে। তবে প্রশাসনের উচিৎ নিরপেক্ষ থাকা। সাধারন মানুষের উন্নয়নের টাকা খরচ করা উচিৎ। যদি না হয়ে আমরা রাস্তায় বসবো।

Related Articles

Back to top button
Close