fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আরামবাগে নিহত কর্মী খুনের কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি দিলীপ ঘোষের

গোপাল রায়, আরামবাগ: নিহত বিজেপি কর্মী সুদর্শন প্রামানিকের খুনের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার নিহত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিজনের সাথে দেখা করে ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন। একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, যেকোন প্রয়োজনে পরিবারটি বিজেপিকে পাশে পাবে।

এদিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ গত ৪০ বছর ধরে আরামবাগে হিংসার রাজনীতি চলছে। আমরা চাই এই খুনের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। কারণ এই সরকার, প্রশাসনের উপর আমাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। নিজেদের দলের নেতা, কর্মীরা খুন হলে বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের মধ্যে হয়। আরামবাগে রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে। কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নয় ।আমাদের কর্মী সুদর্শনের বাড়িতে তৃণমূল ছ বার হামলা চালায়। তারপর তাকে খুন করেছে। সাধারন মানুষ সব বোঝে। চল্লিশ বছর ধরে হিংসার রাজনীতি হচ্ছে এই বাংলায় সেটা বন্ধ হোক। আরামবাগ হচ্ছে হিংসার জায়গা। ‘

তিনি অভিযোগ করেন,’ এখানে গত লোকসভায় আমরা জিতেছিলাম ২৫ টা ইভিএম খারাপ করে হারিয়ে দিয়েছে। মানুষ এত দিনপর ভোট দিতে পেরেছেন বলে খুশি। এবার বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ বুঝিয়ে দেবে সন্ত্রাস শেষ কথা নয়।’
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে একটা অশান্তি চলছিল। শনিবার খানাকুলের নতীপপুর এলাকায় স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করাকে কেন্দ্র করে এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপরই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শুরু হয় বিজেপি তৃণমূলের সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। গুরুতর অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী সুদর্শন প্রামাণিককে খানাকুল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। ইতিমধ্যেই খুনের অভিযোগে তৃণমূলের ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, জ্যোতির্ময় মাহাতো, ,আরামবাগ জেলা সাংগঠনিক সভাপতি বিমান ঘোষ, সহ অন্যান্য রাজ্য নেতৃত্ব মৃতের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানান।

Related Articles

Back to top button
Close