fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আমফান ক্ষতিপূরণের টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলীপ ঘোষের

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফানের মোকাবিলায় রাজ্যকে অগ্রিম ১ হাজার কোটি টাকা অর্থ সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী । পাশাপাশি তিনি মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা অর্থসাহায্যের ঘোষণাও করেন। এই ক্ষতিপূরণের টাকা সরাসরি আম্ফান ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখতে রাজ্যে আসেন মোদি। আকাশপথে এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালসহ দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, দেবশ্রী চৌধুরী। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর বসিরহাটে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমফানের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে‌ প্রধানমন্ত্রী পর্যালোচনা করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপালও।

এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিমানবন্দরে জানান, ‘ আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে যাতে সরাসরি টাকা দেওয়া হয় সেই অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমি চিঠি দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘ আমরা আগে দেখেছি আয়লা, বুলবুল, বছর দুয়েক আগে বন্যার সময় মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে ক্ষতিগ্রস্তরা অর্থ সাহায্য পাননি। তাই আমি এবার আম্ফানের ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে পাওনাগণ্ডা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করে চিঠি লিখেছি। তাহলে তাঁরা ঠিকঠাক ক্ষতিপূরণ পাবেন, ,ঠকবেন না।’

আরও পড়ুন: ‘সব ভেঙে গিয়েছে, কিছুই বোঝা যাচ্ছে না’ আমফান মোকাবিলায় রাজ্য-কেন্দ্র একযোগে কাজ করবে, মুখ্যমন্ত্রী

এদিন বিজেপির এই সাংসদ বলেন, ‘ যেভাবে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীর বলার সঙ্গে সঙ্গে চলে এসেছেন তাতে বুঝতে অসুবিধা হয় না রাজ্যের এই বিপর্যয়ে কেন্দ্র কতো সিরিয়াস। বাংলার মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা, আন্তরিকতা আমরা অনুভব করেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সহায়তারাশি ঘোষণা করেছেন। সাহায্য, সহায়তার কোন অভাব হবে না। এবার রাজ্য সরকারের দায়িত্ব কতো দ্রুত সমস্ত কিছু স্বাভাবিক করা যায়।’

এদিন বিকেলে নবান্নে সোনিয়া গান্ধী সহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ এই পরিস্থিতিতে এই ধরনের রাজনীতি না করাই বাঞ্ছনীয়। এতে মানুষের মনে প্রশ্ন জাগবে সত্যিই মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মানুষের প্রতি কতোটা আন্তরিক। ‘ তিনি আরও বলেন, ‘ রাজনীতি চলতে থাকবে, চলবেও। কিন্তু বড়ো দুটো ধাক্কা খেল বাংলা,করোনা আর আম্বানি। মানুষের জীবন টালমাটাল, অর্থনীতি বিপর্যস্ত।। এই পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত সব কিছু স্বাভাবিক করতে হবে। সেটাই গুরুত্বপূর্ণ, রাজনীতি নয়।’

Related Articles

Back to top button
Close