fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

মন্দিরের দরজা খোলার জন্য এতো তাড়া কেন, কাটমানির জন্য? দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকার পঞ্চম দফার লকডাউন ঘোষণা করেছেন আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত। অবশ্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে ৮ জুন থেকে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বিধি মেনে মন্দির, মসজিদ সহ ধর্মস্থানের দরজা খোলা যাবে। কিন্তু এসব কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে প্রযোজ্য। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী ১ জূন থেকে মন্দির, মসজিদের দরজা খোলার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

 

রবিবার এ বিষয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সল্টলেকের বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ কালীঘাটের মন্দির কর্তৃপক্ষ রাজি নন মন্দির খোলার জন্য। সংকীর্ণ জায়গা, পুরোহিত, সেবাইতরা ভয় পাচ্ছেন সংক্রমিত হয়ে পড়বেন। অথচ স্থানীয় তৃণমূল নেতা চাপ দিচ্ছেন মন্দির খোলার জন্য। নেতাগিরি নিজের বাড়িতে করুন, মন্দিরে কেন? ‘

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘ বাঙালির সব পার্বণ, উৎসব চলে গেল। নববর্ষ, রামনবমী, ইদ সব চলে গেল। মালদা, মুর্শিদাবাদের মুসলিম ছেলেরা যারা জীবিকার জন্য বাইরে থাকে, বছরে একবার ঈদের সময় পরিবারের কাছে আসে। তাদের ঈদের আগে ফেরালেন না, অথচ বছরভর মুসলিম সম্প্রদায়কে নিজের রাজনীতির বোড়ে হিসাবে ব্যবহার করেন। সব উৎসব যখন চলেই গেল, এখন তাহলে মন্দির, মসজিদ খোলার এতো তাড়া কেন দিদির? কাটমানির জন্য?’

 

 

 

প্রসঙ্গত বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ মন্দির কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়ে দিয়েছে ১ জুন তাঁরা মন্দির খুলছেন না।
এদিন তিনি ত্রাণ বিলি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ করেন। মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, ‘ দুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিলি নিয়ে খেয়োখেয়ি চলছে। বুলবুলের সময়ের ত্রাণের জামাকাপড়, বাসনপত্র তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে। বাসন্তী, ভাঙড়ে ত্রাণ বিলি নিয়ে নিজেদের মধ্যে বোম, বন্দুকের লড়াই চলছে। মন্ত্রীরা খেয়োখেয়ি করছেন। আমাদের ত্রাণ দিতে দেওয়া হচ্ছে না।
সাধারণ মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এটা কি সরকার চলছে? মুখ্যমন্ত্রীর কোন নিয়ন্ত্রন নেই। হতাশা থেকে বলছেন আমার মাথা কেটে নিন। অমিতজিকে বলছেন সরকারটা নিয়ে নিন। সরকারের অন্তর্লীন যাত্রা শুরু হয়ে গিয়েছে।’

 

 

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজনীতি করছে বলে এদিনও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘ রাজ্যের মোট জনসংখ্যা ১০ কোটি, তারমধ্যে ট্রেনে দেড় কি দুলক্ষ শ্রমিক এসেছে। এতেই দম বেরিয়ে গেল।

Related Articles

Back to top button
Close