fbpx
কলকাতাহেডলাইন

গুজরাটের কথা ভাবতে হবে না, কলকাতার অবস্থা আরও খারাপ: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ নিয়ে শাসকদল আর গেরুয়া শিবিরের রাজনৈতিক তরজা থামার লক্ষ্মণ নেই। মেয়র ববি হাকিম রবিবার গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে বলেন , গুজরাটের করোনা পরিস্থিতি জাতীয় স্তরে চিন্তার কারণ। এর পাল্টা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ গুজরাট নিয়ে ববি হাকিমকে ভাবতে হবে না। কলকাতাকে নিয়ে ভাবুন। এখানেতো কিছুই নেই, না লকডাউন, না সোশ্যাল ভিসট্যান্স, কাজকর্ম কিছুই নেই।’

 

 

 

গুজরাটের সংক্রমণ কেন বেশি তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন,’যে সমস্ত জায়গা শিল্পে উন্নত, কাজের সুযোগ বেশি সেইসব জায়গায় বিদেশ থেকে আসা লোকজনের যোগাযোগ বেশি। সেই কারণে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কেরালায় সংক্রমণ বেশি হয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে ওরা হাহাকার করছে না আমাদের রাজ্যের মতো। আর আমাদের বাংলার ছেলেদেরতো উপায় নেই। রাজ্যে শিল্প নেই, চাকরি নেই। তাই মহারাষ্ট্র, গুজরাট ভরসা। তাও এই দুঃসময়ে ওদের সঙ্গে কী ব্যবহারটা করলো রাজ্য।’

 

 

ফিরহাদ হাকিমকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘এতো অযোগ্য মেয়র আগে দেখিনি, ওঁর ছবি বাঁধিয়ে রাখা উচিত। আম্ফানের বিপর্যয়ের সময় বললেন, সাতদিনের আগে পানীয় জল, বিদ্যুৎ কিছূই জুটবে না। এরকম অযোগ্য লোক পুরসভার ইতিহাসে আসেনি।’
এদিন কলকাতা পুরসভার ১০০ শতাংশ উপস্থিতির নির্দেশের সমালোচনা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ এ অনেকটা আগা কেটে গোড়ায় জল দেওয়ার মতো ব্যাপার। বাস নেই, ট্রেন নেই মানুষগুলো কিভাবে আসবেন। অন্তত সবূজসাথী সাইকেল দিন তাহলে। ওঁরাতো আপনাদের মতো সরকারি গাড়ি পান না।’

 

 

 

এরপরই তিনি বেসরকারি বাস মালিকদের ভাড়া বাড়ানোর দাবির বিষয়ে সরকারের সমাধান সূত্র বের করতে না পারার জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘ কোন পরিকাঠামো না করেই এরকম নির্দেশিকা দিলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। আপনারা ক্লাবকে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিতে পারেন, মোচ্ছবে টাকা খরচ করতে পারেন। আর বাসমালিকদের আর্থিক প্যাকেজ দিতে পারেন না। প্রত্যেক দিন বাসপিছু ৫০০ টাকা দিলে কতো খরচ হতো?’

 

 

রবিবার বিজেপি সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকার অপব্যাবহার করছে রাজ্য। তাঁর দাবি, ‘ ২০১৯ – ২০ সালে কেন্দ্র রাজ্যকে ৯৯৩.৮৮ কোটি টাকা দিয়েছে। রাজ্য খরচ করেছে মাত্র ৪২৩. ৬৩ কোটি টাকা। জল- জীবন রাজ্যকে পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছিল। তা জমা না দিয়েই টাকা চাইছে।’ এই প্রসঙ্গেই তিনি আম্ফানের ক্ষতিপূরণের জন্য রাজ্যের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, সমীক্ষা ছাড়াই রাজ্য এমন দাবি করছে কি করে? কেন্দ্রের নিয়ম মেনে সমীক্ষার দাবি করেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close