fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লকডাউন হচ্ছিল, কেন্দ্র রাশ টেনে ঠিক করেছে: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: চতুর্থ পর্বের আনলক প্রক্রিয়ায় রাজ্যের ক্ষমতায় রাশ টানলো কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে আগামী দিনে কনটেনমেন্ট এলাকার বাইরে লক ডাউন ঘোষণা করতে হলে কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে। এই নির্দেশিকা ঘিরে কেন্দ্র রাজ্য সংঘাত তৈরি হতে চলেছে। তৃণমূল অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে অগ্রাহ্য করে কেন্দ্রের নির্দেশ রাজ্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হলো। যার প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত লকডাউনে রাশ টেনে কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করেছে।’

ঘটনা হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই সেপ্টেম্বর মাসে ৭,১১,১২ তারিখ সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছেন। অথচ শনিবার রাতের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে লকডাউন ঘোষণা করতে গেলে কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডা. শান্তনু সেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ প্রত্যেক রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আলাদা। তাই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাজ্যের হাতে থাকাই উচিত ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে অস্বীকার করে নির্দেশিকার নামে কেন্দ্রের নির্দেশ ফের রাজ্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হলো।’

আরও পড়ুন: বিধিনিষেধ মেনে ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য ‘মন কি বাত’ থেকে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী মোদির

এ প্রসঙ্গে রবিবার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার লকডাউনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছিল। তাই কেন্দ্র এই প্রবণতায় রাশ টেনে ঠিক করেছে। গোটা আগস্ট মাস জুড়ে লকডাউন নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে। অন্ততঃ পাঁচবার লকডাউনের দিন বদল হয়েছে। আর সেটা করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের জন্য লকডাউনের দিন বদলাতে পারে, অথচ রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর দিন লকডাউন হলো। গণেশ পুজোর আগে দুদিন পূর্ণ লকডাউন হলো, অথচ মহরমে যাতে অসুবিধা না হয় তারজন্য লকডাউনের দিন বদল হলো।’

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘করোনা রোখা নয় রাজনীতি করার জন্য লকডাউন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যারজন্য এই অপরিকল্পিত লকডাউনের কোন সুফল পাওয়া যায়নি। আমরাও এ ব্যাপারে কেন্দ্রকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। সুতরাং আমি মনে করি কেন্দ্র এই নির্দেশিকা জারি করে ঠিকই করেছে। প্রয়োজনে লকডাউন করতে হবে, কিন্তু তার জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন লাগবে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেবে।’

Related Articles

Back to top button
Close