fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের কবলে সমগ্র বাংলা, যুগশঙ্খকে জানালেন দিলীপ ঘোষ

ইন্দ্রানী দাশগুপ্ত, নিউ দিল্লি: বাংলায় ইসলামিক সন্ত্রাস বাদ, বিজেপির ১১৫ জন কর্মকর্তাকে খুন, মহিলাদের ওপর অত্যাচার, বাংলা ভাষায় শিক্ষার দাবি করে দুই ছাত্রকে খুন, বাংলার আইন-কানুন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া, এই সমস্ত বিষয়কে জাতীয় স্তরে তুলে ধরার জন্যে রবিবার গান্ধী মূর্তির সামনে ধর্না কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করল বঙ্গ বিজেপি সাংসদরা। এই ধর্নায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সুভাষ সরকার, লকেট চ্যাটার্জি, নিশীথ প্রামানিক, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো সহ বঙ্গ বিজেপির সমস্ত সাংসদেরা।

রবিবার যুগশঙ্খকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ জানান যে, “পশ্চিমবঙ্গের অগণতান্ত্রিক সরকারের খুনের রাজনীতির আরেকজন বলি হলেন। আমাদের ময়নায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডল। বেশ কিছুদিন ধরেই দীপক মন্ডলকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শনিবার রাত্রে বোমার আঘাতে তাঁকে খুন করা হয়। আমি জানিনা আর কত দিন বাংলায় সাধারণ মানুষ, বিজেপি কর্মীরা শাসকদলের খুনের রাজনীতির বলি হবেন। আসলে এখন ওরা বুঝতে পেরেছে হাজার হাজার কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ভরেও ওরা বিজেপিকে আটকাতে পারছে না। তাই যখন যেখানে সুযোগ পাচ্ছে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন- বিধানসভায় লড়তে রাজ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে হিমন্ত সোরেনের ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা!]

কখনও গুলি করে কখনও শ্বাসরোধ করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়ে বা কখনো বোম দিয়ে খুন করা হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের। আসলে আমাদের কর্মীদের মধ্যে ওরা একটা আতঙ্কের, ভয়ের জন্ম দিতে চাইছে। যাতে কেউ রাস্তায় বেরিয়ে বিজেপির সমর্থক না হন। কিন্তু ওরা বুঝতে পারছে না গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে মানুষই শেষ কথা বলে। আর পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অত্যন্ত শিক্ষিত সাংস্কৃতিপ্রবণ এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তারা দেখছে কিভাবে শাসক দল বিরোধী গ্রামবাসীদের উপর শুধুমাত্র বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী হওয়ার জন্য অত্যাচার করছে। এই অত্যাচারের হাত থেকে বাদ যাচ্ছেনা মহিলারাও। যেখানে যে শাসনের বিরোধিতা করছে সেখানে তাকেই অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হচ্ছে”।

[আরও পড়ুন- ‘যা করেছি বেশ করেছি’, রাজ্যসভায় কৃষি বিলের বিরুদ্ধে বেনজির বিরোধিতার অসৌজন্যতা প্রদর্শনের পরে বললেন ডেরেক]

দিলীপবাবু আরও বলেন, সর্বোপরি সারা রাজ্য জুড়ে যেভাবে সন্ত্রাসবাদীদের কার্যকলাপ বেড়ে চলেছে তাতে সারা রাজ্যের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের কবলে এখন সমগ্র বাংলা। শুধুমাত্র ভোটের রাজনীতি করার জন্য প্রশাসন একটা বিশেষ শ্রেণীকে গুরুত্ব দেন।

দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয় নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সীমান্ত বেড়া দেওয়া বা রাজ্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দিচ্ছেনা মমতা সরকার। এরফলে ইসলামিক সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গের সাধারন মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে এই লড়াই চালাচ্ছে বিজেপি। জাতীয় স্তরে এই বিষয়গুলোকে তুলে ধরাই ছিল এই ধর্নার বিশয়বস্তু।

 

Related Articles

Back to top button
Close