fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নাড্ডার কনভয়ে ইটবৃষ্টি, ভাঙল কৈলাসের গাড়ির কাচ, নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ, শাহকে চিঠি দিলীপের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নাড্ডার সভার আগেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ডাযমন্ডহারবার।অভিযেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে নাড্ডার সভার আগে নড্ডার কনভয় শিরাকোল মোড় থেকে দফায় দফায় আটকায়। কনভয়ে ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় বাস, সংবাদমাধ্যমের গাড়ি। ইট ছোড়া হয় কেন্দ্রীয় নেতা তথা পশ্চিমঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের গাড়িতে। গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে যায়। ড্রাইভারের দিকের কাচ ভেঙে পাথর গাড়ির ভেতরে ঢোকে।

নাড্ডার রাজ্য সফরে পুলিশি নিরাপত্তার যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে এই অভিযোগ জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এ বিষয়ে শাহকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।যার অব্যবহিত পরে রাজ্যের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেন শাহ।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ যাত্রা শুরু করেন নড্ডা। এর পর ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে বহু স্থানে তাঁর কনভয় আটকানো হয়। কলকাতা থেকে ডায়মন্ড হারবার আসতে যে পথগুলি ব্যবহার করা হয় প্রায় প্রতিটি রোডের বিভিন্ন জায়গায় কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। কালো পতাকা হাতে বিজেপির বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর শিরাকোলে সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও জেলার তৃণমূল যুব সভাপতি সওকাত মোল্লার নেতৃত্বে বিক্ষোভে হাজির হন বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। আরেকটু এগোলেই সরিষার কাছে ব্লক তৃণমূল সভাপতি অরুময় গায়েন ও সামিম আহমেদের নেতৃত্বে চলে পথ অবরোধ। ডায়মন্ড হারবার শহরের জেটি ঘাট ও রত্নেশ্বরপুরে তৃণমূল কর্মীরা পথ অবরোধ করেন। একই ভাবে বিক্ষোভ চলে রায়দিঘি রোডের মন্দিরবাজার ও হটুগঞ্জ বাস মোড়ে। প্রত্যেক জায়গাতেই আটকে পড়েন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। নাড্ডাকে আটকাতেই পরিকল্পনা মাফিক তৃণমূল রাস্তা অবরোধ করছে বলে বিজেপির অভিযোগ।

আরও পড়ুন: স্বামীকে আটকে রেখে ১৭ জন মিলে গণধর্ষণ…খবরের শিরোনামে ঝাড়খন্ড

ইটবৃষ্টিতে ভাঙল পুলিশের গাড়ির কাচও। এদিন সকালে ডায়মন্ড হারবারে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন বিজেপি’‌র ডায়মন্ডহারবার টাউন সভাপতি সুরজিত্‍ হালদার সহ ২ জন। বিজেপি সভাপতি জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাই তাঁর গাড়ির কাচ ভাঙেনি। তবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ বিভিন্ন নেতার গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়। সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ও একটি বেসরকারি বাসেও ভাঙচুর করা হয়েছে।

দলের হেস্টিংস কার্যালয়ের সামনে বুধবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় জে পি নাড্ডাকে। সেটা উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ শাহকে বলেছেন, “পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমি ছিল। বলতে গেলে পুলিশ ছিলই না। বিক্ষোভকারীদের সরানো বা আটকানোর চেষ্টাও করেনি পুলিশ।” অমিত শাহকে দিলীপ ঘোষের অনুরোধ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলুক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “কোথাও বাঁশ, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়নি। আর পুলিশি ঢিলেমির অভিযোগ থাকলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরে জানানো যে। কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে কী হবে!” একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, “এত এলাকা থাকতে মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় কেন সভা করতে গেলেন তিনি?”

 

Related Articles

Back to top button
Close