fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মমতা হিন্দু বিরোধী ন দফা চার্জশিটে বিঁধলেন দিলীপ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে ন’দফা চার্জশিট দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার রাজ্য দফতরে এই চার্জশিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দু বিরোধী, শরণার্থী বিরোধী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই চার্জশিটে করোনা, আমফান মোকাবিলায় ব্যর্থতা, রেশন দুর্নীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, অর্থনীতিতে ব্যর্থতা, কৃষক বিরোধী মমতাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই চার্জশিট পেশ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, বিরোধীদের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য থেকে প্রশাসন সবক্ষেত্রে ব্যর্থতা। তাই আমরা এই দিনটাকে কালা দিবস হিসেবে পালন করছি।’

তৃণমূল সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নয় দফা চার্জশিট প্রকাশ করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিজেপি রাজ্য দফতরে স্পষ্ট বললেন, ‘ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কোন আইন আমরা মানবো না। উনি, আইন মানেন না। আমি সমস্ত কর্মীদের বলছি কোনো লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন মানার দরকার নেই। আমি বেরাচ্ছি, দলের কর্মীদেরও বলছি আম্ফান ত্রাণের বেরিয়ে পড়ুন। দেখি কে আটকায়।’

আমফান বা করোনা ত্রাণে বেরিয়ে বারবার বাধার মুখে পড়েছেন বিজেপি সাংসদরা। বুধবার সাংসদ জয়ন্ত রায়কে বাধা দেওয়া হয়েছে। রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কোয়ারেন্টাইনের নোটিশ পাঠিয়েছে। এই প্রসঙ্গেই দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ তৃণমূলের সাংসদ দেব, পাশকুড়ায়, মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঝাড়গ্রামে যেতে পারেন। আর দিলীপ ঘোষ গেলেই দোষ। তাই দিদিকে বলছি এবার আমরা ময়দানে নামছি, দেখি বিজেপিকে সামলান, না হয় আমফান করোনাকে সামলান। দেখি আপনার কতো দম।’

আরও পড়ুন: আমফানের ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবার পিছু পাবেন ২০ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ: মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে মহারাষ্ট্র থেকে আসা শ্রমিকদের দায়িত্ব কেন্দ্রকে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ আমরা কখনও নির্বাচিত সরকারকে সরাই না। কিন্তু ওঁর যা ব্যবহার তাতে মানুষ ওঁকে সরিয়ে দেবে। বাংলার মানুষ চাইছেন উনি দয়া করে গদি ছাড়ুন, বিশ্রামে যান। কিন্তু উনি এসব নিয়ম মানেন না, মেদিনীপুরে আমার নির্বাচনীক্ষেত্রে কেশিয়াড়িতে আমাদের জেতা পঞ্চায়েত সমিতি দু’বছর হয়ে গেল তৈরি করতে দেওয়া হয়নি। সুতরাং উনি যেন গণতন্ত্রের কথা না বলেন। ওঁর মুখে শোভা পায়না।’

বাংলায় মহারাষ্ট্র থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ উনি কেন প্রস্তুতি নেননি। উত্তরপ্রদেশ যদি ৪০০ট্রেনে ৪০ লক্ষ শ্রমিক ফিরিয়ে আনতে পারে তাহলে উনি কেন পারবেন না। আসলে উনি দায়িত্ব নিতে চাননা।আর দরকার হলে কেন্দ্রকে বলুন, আম্ফানের সময় যেমন কেন্দ্র সাহায্য করেছে এক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর সাহায্য করবে।আপনাকে বলতে হবে, আপনি যেমন আপনার দল, সরকারকে পিকের হাতে তুলে দিয়েছেন, পিকেতো আর প্রশাসক নন, কেন্দ্রের হাতে তুলে দিন । নয়তো এমন দিন আসবে যেদিন আপনি দর্শকের ভূমিকায় থাকবেন আর অন্য কেউ শাসন করবে এখানে।’

Related Articles

Back to top button
Close