fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নিজের কর্তৃত্ব দেখাতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন ঝাড়গ্রাম-এর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান

নিজস্ব  প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: নিজের কর্তৃত্ব দেখাতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন ঝাড়গ্রাম এর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার দলীয় নেতা-কর্মীদের আগাম না জানিয়ে হুটহাট করে দলীয় কর্মী সভার ডাক দেন তিনি। আর এই কর্মীসভায় বিপাকে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। জঙ্গলমহলে যেদিন অমিত শাহের পা পড়লো। ঠিক সেদিনই ঝাড়গ্রাম জেলার তৃণমূলে চেয়ারম্যান ও কর্ডিনেটর এর  ডাকা জনসভারচিত্রটা এরকম ফাঁকা মাঠে বক্তব্য রাখছেন নেতার। কয়েক হাজার লোকের খাবার নষ্ট।
লোক সংখ্যা সাকুল্যে ৩০ থেকে ৪০ জন। দলের সমস্ত উচ্চ নেতৃত্ব উপস্থিত হলেও কর্মী সংখ্যা একদমই ছিলোনা। দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, এই কর্মীসভার ব্যাপারে দলের পক্ষ থেকে আগাম কোন নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। হঠাৎ করে একদিনে এই কর্মীসভা করা কোনদিনই সম্ভব নয়। এই সময় গ্রামবাংলায় ধান কাটার কাজ শুরু হয়েছে। তাই সাধারণ মানুষ এখন চাষের জমির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সূত্রের খবর, অমিত শাহর কাছে তৃণমূল দলের খারাপ অবস্থা তুলে ধরার লক্ষ্যে বড় চক্রান্ত এটা।
যার এই অনুষ্ঠানের আয়োজক  এই অবস্থা তৈরী করে সেই চেয়ারম্যান বীরবাহা সরেন নিজে আর সভায় আসেননি। কর্ডিনেটর অজিত মাহাত তড়িঘড়ি সভা ছেড়ে পালিয়ে যান।
কয়েক হাজার লোকের খাবারের থেকে শুরু করে অনান্য ব্যবস্থা করা হলেও প্রায় সমস্তটাই নষ্ট।  শেষে যে কজন কর্মী ছিলো তাদের সাথে কথা বলে অবস্থা সামাল দেন ঝাড়গ্রামের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেখা সরেন ও ব্লকসভা পতি নরেন মাহাত।
তাদের এবং কর্মীদের কে এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তাদের অধিকাংশ’র বক্তব্য তার আজকের কর্মসূচীর কথাই জানতেন না। এদিন দুপুরে ফোন করে বলায় তারা এসেছেন।  কাছে বাড়ি বলে কিছু জনের আসা সম্ভব হলেও অধিকাংশ মানুষ ই জানেন না। শেষ বেলা জানলেও আসার উপায়ও নেই।
অমিত শাহ’র জঙ্গলমহল অভিযান এর দিন তৃনমূল দলের এমন করুন চিত্র দলকে যে অনেকটাই বিপদে ফেললো শুধু তাই নয়। কর্মীদের মনোবলেও ধাক্কা খেলো। এ ব্যাপারে ঝাড়্গ্রাম জেলা বিজেপি সভাপতি সুখময় শতপথী কটাক্ষের সুরে বলেন, বিজেপিকে বেগ দেওয়া অত সোজা নয়। মানুষ বুঝে গিয়েছে ফাঁকা মাঠের বলি আর কপচালে চলবে না। আসল আর নকল মানুষ বুঝতে শিখেছে। আর এভাবে তৃণমূল কোনোভাবেই একজন সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে রাজনৈতিকভাবে বেগ দিতে পারবে না।

Related Articles

Back to top button
Close