fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চিনে নতুন করে ছ’‌জনের শরীরে করোনা, ফের লকডাউন জারি বেজিংয়ের একাংশে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ সালের শেষের দিকে প্রথম করোনা ধরা পড়ে চিনে। এরপর মহামারি ধারণ করে চিনে। নিমেষেই চিন ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে করোনা। বর্তমানে বিশ্বজুড়েই তাণ্ডব চালাচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। যদিও কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল চিনে নতুন কোনও আর করোনায় সংক্রমণ নেই। কিন্তু বেজিংয়ে ফের নতুন করে ছ’‌জনের শরীরে করোনা পাওয়া গেছে বলে খবর। স্থানীয় সংক্রমণ হতে পারে এই আশঙ্কায় বেজিংয়ের একাংশ শনিবার থেকে লকডাউনের আওতায় চলে যায়। নগর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘটনা নিকটস্থ মাংসের বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার জন্য দক্ষিণ বেজিংয়েক ফেংটাই জেলার ১১টি আবাসন এস্টেটের বাসিন্দাদের বাইরে বেড়োতে দেওয়া হয়নি।

জানা গিয়েছে, শনিবার ঘোষিত ছ’‌জন আভ্যন্তরীণ কেসের মধ্যে তিনজন সিনফাদি বাজারের কর্মী, একজন বাজারের খদ্দের এবং দু’‌জন চিনা মিট রিসার্চ কেন্দ্রর কর্মী, এটি বাজার থেকে সাত কিমি দূরে অবস্থিত। গত সপ্তাহে এই কর্মীদের মধ্যে একজন বাজারে এসেছিলেন। কর্তৃপক্ষ এই বাজারটি বন্ধ করার পাশাপাশি আরও একটি মাছের বাজার জীবাণুমুক্ত করার জন্য বন্ধ করে দেয়। কারণ এই বাজারে এই রোগীদের মধ্যে একজন এসেছিলেন এবং শুক্রবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এবার করোনায় আক্রান্ত পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়, দু’‌মাসের মধ্যে বেজিংয়ে প্রথম কোভিড-১৯ কেসটি গত সপ্তাহে সিনফাদি মাংসের বাজারে গিয়েছিল এবং শহরের বাইরে তার কোনও ভ্রমণ ইতিহাস ছিল না। প্রসঙ্গত গত বছর চিনের উহান শহর থেকে এই মারণ রোগ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে এবং কড়া ও বিশাল লকডাউনের মাধ্যমে চিনের আভ্যন্তরীণ প্রকোপ রোখা সম্ভব হয়। সংক্রমণের হার কম হওয়ার কারণে লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে তুলে নেওয়া হয় এবং সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বিদেশে বসবাসকারী নাগরিকরা মহামারির সময় দেশে ফিরে আসার পর তাদের পরীক্ষা করা হয়।

দেখা গিয়েছে, দু’‌টি বাজারে একশোজন পুলিশ কর্মী ও বহু আধাসেনা পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। শ্রমিকরা ফেংটাই জেলার জিংসেন মাছের বাজার থেকে ক্রেটস তুলে নিতে দেখা গিয়েছে। ফেংটাইয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার ঘোষণা করা হয়েছে যে নতুন এই মৃত্যু তরঙ্গকে আটকানোর জন্য যুদ্ধকালীন ব্যবস্থা ও ফিল্ড কম্যান্ড কেন্দ্র গড়া হয়েছে। এই এলাকার কাছাকাছি ন’‌টি স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বেজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে শহরের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে এখনই পড়ুয়াদের পাঠানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং সব ক্রীড়া সংক্রান্ত অনুষ্ঠান ও দলবদ্ধ নৈশভোজ স্থগিত রাখা হয়েছে। শনিবার প্রাদেশিক সফরগুলির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close