fbpx
দেশহেডলাইন

লকডাউনে বাড়ছে গার্হ্যস্থ হিংসা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে লকডাউন হওয়ার পর থেকে বেড়েছে গার্হ্যস্থ হিংসা। শুধু মহিলারাই নয়, হিংসার শিকার হচ্ছে বাড়ির ছোটরাও। প্রধানমন্ত্রী যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছিলেন, সেখানে গত ১১ দিনে ৯২ হাজারেরও বেশি SOS ফোন কল এসেছে। এই পরিসংখ্যানে নতুন করে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে কেন্দ্র সরকারকে।

লকডাউনে বাড়ছে গৃহস্থালির কোন্দল। মানসিক অবসাদ জনিত কারণে স্ত্রীদের ধরে পেটাচ্ছেন স্বামীরা। বন্ধ রোজগার। বাড়িতে পর্যাপ্ত খাবার নেই। সমস্যা সব দিক থেকেই। জাতীয় মহিলা কমিশন লকডাউন চলাকালীন এখনও পর্যন্ত ২৫০ টি কেস হাতে পেয়েছেন। যার মধ্যে ৬৯টিই গার্হ্যস্থ হিংসার।NCW এর তরফে রেখা শর্মা জানান, ‘গার্হ্যস্থ হিংসার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এই মুহূর্তে মেয়েরা অভিযোগ জানাতে ভয় পাচ্ছেন। এখন সারাদিনই তাঁরা গৃহবন্দি। ফলে অত্যাচারের মাত্রা বাড়বে বলে আশঙ্কা। রেখার মতে, এই ঘটনা দিনের পর দিন আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে তাঁর। এছাড়াও মেয়েরা পুলিশের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন জারি রাখার সিদ্ধান্ত নবীন পট্টনায়কের

চাইল্ডলাইন ইন্ডিয়ার ডেপুটি ডিরেক্টটর হারলিন ওয়ালিয়া জানিয়েছেন, গত ২০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩.০৭ লক্ষ ফোন এসেছে ‘CHILDLINE 1098’ হেল্পলাইনে। গোটা দেশ থেকে এই ফোনগুলি এসেছে। লকডাউনের প্রথম সপ্তাহে ৩০ শতাংশ ফোনকল এসেছিল শিশুদের গার্হ্যস্থ হিংসা নিয়ে। তাদের উদ্ধার করার জন্য অনেকেই ফোন করেছিলেন হেল্পলাইন নম্বরে। ওয়ালিয়া আরও জানিয়েছেন, শিশুদের উপর অত্যাচারের খবর জানানোর জন্য বা তাদের উদ্ধার করার জন্য লকডাউনের আগেও অনেক ফোন আসত। কিন্তু ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর থেকে তার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

মঙ্গলবার একটি ওয়ার্কশপে এই পরিসংখ্যান শেয়ার করা হয়। শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে হওয়া জেলাভিত্তিক সেই ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের কর্মকর্তারা। ওয়ার্কশপে মূলত করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া লকডাউনের মধ্যে শিশুদের মানসিক অবসাদ কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়েও কথাবার্তা হয়। তখনই এই পরিসংখ্যান সামনে আসে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close