fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

‘প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৃহত্তম সংকট করোনা’ বললেন মোদি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এখনই সবচেয়ে বড় সংকট চলছে। করোনা সংক্রমণের আগে ও পরের সময় একেবারে পাল্টে যেতে চলেছে’। কর্ণাটকের রাজীব গান্ধি ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সের রজত জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ‌্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এমনটা দেশবাসীর উদ্দশ্যে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি  বলেন,’ভাইরাস একটি অদৃশ্য শত্রু হতে পারে, তবে আমাদের যোদ্ধা, চিকিত্‍সক কর্মীরা অজেয়।’ তিনি বলেন, ‘অদৃশ্য বনাম অজেয় যুদ্ধে, আমাদের চিকিত্‍সক কর্মীরা জয়ী হবেই।’

স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিত্‍সকেরা ভারতে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁদের ওপর কোনও সহিং আচরণ, তাঁদের সঙ্গে অপব্যবহার ও অভদ্র আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত যে করোনার বিরুদ্ধে সাহসী লড়াই লড়ছে এর মূলে রয়েছে চিকিত্‍সক ও করোনা যোদ্ধাদের কঠোর পরিশ্রম।

তিনি জানান, মানবসম্পদ নির্ভর উন্নয়নের দিকে এখন নজর দেওয়া দরকার। আমরা সাধারণত চারটি স্তম্ভের উপর কাজ করছি। সুরক্ষানির্ভর স্বাস্থ্যরক্ষা, সহজলভ্য স্বাস্থ্যরক্ষা, যথেষ্ট জোগান ও একেবারে মিশনের মতো সমস্ত বিষয় কার্যকর করা। তিনি জানিয়েছেন, ‘‌প্যারামেডিকেল অফিসারদের সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য বিশেষ আইন পাশ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।’‌ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক সময়ে করোনা সংক্রমণ নিয়ে ভুল ধারণার কারণেই মানুষের হিংসার মুখে পড়েছেন। অনেককে মার খেতে হয়েছে। এদিন সেই নিয়েও তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি অত্যন্ত দৃঢ় ভাবে জানিয়েছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, করোনার ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা, চিকিত্‍সকদের সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার, সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না।’

আরও পড়ুন: করোনার তথ্য গোপনের অভিযোগ, এইমস এবং সফদরজং হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেজরিওয়াল সরকারের

এই ভাষণের পরেই প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দ্বিতীয় মোদি সরকারের একবছর পূর্তির মাথায় মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মধ্যে উঠে আসতে পারে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা। এছাড়া বৈঠকে চিন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close