fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পণের চাপেই অশান্তি! হতাশাগ্রস্থ হয়ে আত্মঘাতী গৃহবধূ

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব বর্ধমান: শ্বশুর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসতে হওয়ায় হতাশায় আত্মঘাতী হল এক বধূ ।মৃতার নাম মাম্পি হালদার।বয়স ২১। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্মানের কালনা থানার নন্দগ্রাম এলাকায়। বধূর পরিবার দাবি করেছে ,মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি মাম্পির লেখা একটি সুইসাইড নোট পুলিশ উদ্ধার করেছে। মেয়ের মৃত্যুর জন্য জামাই ও তার পরিবারের সদস্যদেরকেই দায়ী করেছেন বধূর বাবা গোবিন্দ দেবনাথ ।  শনিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃতার ময়নাতদন্তের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে ,বধূর বাবার বাড়ি কালনা থানার নন্দগ্রাম এলাকায়।বছর দেড়েক আগে পরিবারের মতেই কালনার কৃষ্ণদেবপুর রাজবংশী পাড়া নিবাসী যুবক নবদ্বীপ হালদারের সঙ্গে বিয়ে হয় মাম্পির।

বধূর বাবা গোবিন্দ দেবনাথের অভিযোগ, বিয়ের সময়ে মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সব দাবি মিটিয়ে ছিলেন । কিন্তু তা সত্বেও বিয়ের ছয় মাস পর থেকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন পণের অতিরিক্ত টাকা ও দামি জিনিসপত্র আনার জন্য তাঁর মেয়েকে চাপ সৃষ্টি করে চলে । বধূ বাবার বাড়ির লোকজন তা দিতে পারেননি। অভিযোগ সেই কারণে জামাই সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন বধূর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো শুরু করে।নির্যাতন মাত্রা ছাড়ানোয় বিয়ের দেড় বছরের মধ্যে বধূ মাম্পি শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হয়।সংসার জীবন শুখের না হওয়ায় মাম্পি মানসিক ভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে ।তার জরেই সুইসাইড নোট লিখে মাম্পি শুক্রবার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়ে বসে, দাবি মৃতার আত্মীয় বিনোদ দেবনাথের।

Related Articles

Back to top button
Close