fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

করোনা নাশক আবিস্কারে বিশ্ববাসীকে চমক দিল এই কৃষকের সন্তান

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভ্যাকসিন। বিশ্ববাসীর কাছে এটাই এখন কাঙ্ক্ষিত একমাত্র জিনিস। আর এই ভ্যাকসিন আবিস্কার করতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন  একজন চাষির ছেলে। সেই চাষির ছেলের নাম ড. কৃষ্ণা এলা। তাঁর তৈরি ছোট্ট একটা ল্যাব এখন বড় একটি সংস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। সেই কোম্পানি এখন করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করছে। কোম্পানির নাম ভারত বায়োটেক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন যে, ১৫ অগাস্ট ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সুখবর শোনাতে পারে দেশীয় সংস্থা ভারত বায়োটেক।

 

এই সংস্থায় জন্মদাতা ডা. কৃষ্ণা তামিলনাড়ুর থিরুথানির মানুষ। চাষি পরিবারের ছেলে ডা. কৃষ্ণা চাষবাস নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি আর কৃষি নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেননি। কাজের জন্য তিনি একটি কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিকল সংস্থায় যোগ দেন। স্কলারশিপ পেয়ে আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যান তিনি। সেখানেই তিনি একের পর এক বড় সংস্থায় চাকরিও পান। কিন্তু ডা. কৃষ্ণার মা চাইতেন ছেলে দেশে ফিরে কাজ করুক। এর পরই মায়ের কথা শুনে তিনি দেশে ফেরেন। তার পর ভারত বায়োটেক নামে একটি ল্যাব খোলেন। সেই ল্যাব এখন আস্ত একটি সংস্থা।  এর সেই ল্যাবই এখন করোনানাশক আবিস্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিশ্ববাসীকে।

[আরও পড়ুন- দুর্নীতির অভিযোগে গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কেন্দ্রের]

এই ভ্যাকসিনের কথা শুনে অনেকে দাবি করেছে যে, ১৫ ই অগাস্টের আগে এই ভ্যাকসিন লঞ্চ হবে না কেন?  আবার অনেকে বলেছেন যে, এত তাড়াহুড়ো করে ভ্যাকসিন লঞ্চ করলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বাড়বে। তবে এসব বিতর্কের মধ্যেও ভারত বায়োটেক ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বাইরোলজি ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর সহযোগিতায় এই ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে।  এর আগেও এই সংস্থা প্রচারের আলোয় এসেছিল। সবচেয়ে সস্তায় হেপাটাইটিসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিল তারা। এমনকী জিকা ভাইরাসের টিকাও আবিষ্কার করে বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিল এই সংস্থা।

Related Articles

Back to top button
Close