fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নেশাসক্তের উপদ্রবে ময়ুরেশ্বর ও সাইথিয়ার নাগরিক ও প্রশাসন তিতিবিরক্ত

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া: সাঁইথিয়া ও ময়ুরেশ্বরের বিস্তীর্ণ এলাকায় নেশাসক্তের সংখ্যা এতই বেড়ে গেছে যে স্থানীয় প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষ তিতিবিরক্ত। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে চুরি ও অন্যান্য উপদ্রব। গত কয়েকদিন ধরে সাঁইথিয়া পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় সত্তরেরও বেশী জলের কলের মুখ চুরি হয়ে গেছে। চুরি গেছে কিছু সদ্য বসানো জলের ফোয়ারার পেতলের মুখও। এ ব্যাপারে পুরসভার প্রশাসক বিপ্লব দত্তকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ প্রজন্মের নেশাসক্তেরা পয়সা জোগাড়ের জন্য এসব চুরি করছে বলে তাঁর সন্দেহ। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু উত্তর দিকের পাঁচিল ভাঙ্গা থাকার জন্য এলাকার প্রাচীনতম বিদ্যালয় সাঁইথিয়া হাই স্কুলে রাতের অন্ধকারে বহুদিন ধরে পুরোনো বিল্ডিংয়ের দরজা, জানলা, লোহার শিক, জলের পাইপ চুরি হয়ে যাচ্ছে এবং পুলিশকে জানানো সত্বেও এর কোন সুরাহা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই স্কুলের এক শিক্ষক জানালেন, ভাঙ্গা পাঁচিলের ওই অংশে প্রতিদিন সন্ধ্যায় এক শ্রেণীর নেশাসক্তের আড্ডা হয় এবং মদের বোতল ও অন্যন্য নেশা করার জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঠিক এমনভাবেই বিরক্ত ময়ুরেশ্বর থানার কোটাসুর হাইস্কুল সংলগ্ন খেলার মাঠে যারা সকাল বিকেল শরীরচর্চা করতে আসেন। ক্রীড়াশিক্ষক অরূপ কুমার রুজ জানালেন যে তিনি প্রত্যেকদিন দুবেলা বাচ্চাদের মাঠে খেলাধুলার প্রশিক্ষন দেন এবং বাচ্চারা দেখে মাঠের ভেতর বিভিন্ন রকমের মদের বোতলের ছড়াছড়ি। শুধু তাই নয়, নেশাসক্তরা মদের বোতল ভেঙ্গে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়। অরূপ বাবু সোশাল মিডিয়াতে এনিয়ে ছবি পোষ্ট করে সকলকে জানালেও প্রশাসন নির্বিকার। শুধু এটাই নয়, ময়ুরেশ্বর থানার অন্যান্য এলাকার বাসিন্দারাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানালেন, এসব নেশাসক্তেরা কখনও কখনও বাড়িতে এসেও উপদ্রব করে এবং ইট পাটকেল ছোঁড়ে।

 

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close