fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চোখে-মুখে স্বপ্ন ভাঙার আশঙ্কা আর উৎকণ্ঠা সুন্দবনবাসীর

ফিরোজ আহমেদ, সুন্দরবন: নদী-সমুদ্রে ঘেরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘোড়ামারা দ্বীপের মানুষের কাছে বার বার সংসার পাতা যেন অভ্যেসে হয়ে গিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির দাপট আসে, আর তলিয়ে যায় জমি-জমা। তল্পি-তল্পা গুটিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করতে হয় তাদের। এখন ও দুর্যোগের কথা শুনলে আঁতকে ওঠেন অনেকে। তাঁদের ফিরে এসে দেখতে হবে আরও হয়তো কয়েক বিঘা জমি খেয়ে নিয়েছে জল! ঘরবাড়ী সব তছনছ হয়েগেছে, ভেঙে গেছে সব স্বপ্ন!

 

 

আমফানের তান্ডব লীলার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে সুন্দরবন এলাকার সাগর, নামখানা,কাকদ্বীপ, গোসাবা,বকখালি ও সাগরদ্বীপ এলাকার বাসিন্দারা। এর আগেও আয়লা,ফনী সহ একাধিক ঝড় এসে ভেঙে দিয়েছে এই এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বপ্ন। হারিয়েছিলেন বহু মানুষ তাদের ঘরবাড়ি। আয়লা, বুলবুল, ফনী একাধিক ঝড়ের স্মৃতি উস্কে আরও একটি ঝড়ের তান্ডব লীলার অপেক্ষায় সুন্দরবন বাসী।ঝড়ের সাথে মোকাবিলা করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন আমফান কেড়ে নেবে না তো শেষ সম্বলটুকু। দুচোখে ঘুম নেই, কিছুতেই মনের কোনে উঠতে থাকা প্রশ্ন গুলোর উত্তর মিলছে না। এই ঝড় থেকে সবাই যেন মুক্ত থাকে, ক্ষয়ক্ষতি যেন না হয় এটাই এখন প্রার্থনা সুন্দরবনবাসীর।

 

 

ইতিমধ্যে নদীর কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। সুন্দরবনের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঘোড়ামারা। সেখান থেকে প্রায় চার হাজার মানুষকে তুলে নিয়ে এসেছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের লোকজন। ফ্লাড সেন্টারে রাখা হচ্ছে তাঁদের।জেলা প্রশাসন সুত্রের খবর, ইতিমধ্যে প্রায় তিন লক্ষ্য মানুষ কে নিরাপদ স্হলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close