fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

বাংলাদেশে ১০ জনের প্রাণ নিল ঘূর্ণিঝড় আমফান

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়া সুপার সাইক্লোন আমফানের  প্রভাবে মহিলা-শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

 

বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ভোলা ও বরগুনায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, নৌকা ডুবে, গাছ পড়ে, ঘর ভেঙ্গে এবং বজ্রপাতে এসব মুত্যু হয়েছে। এদিকে ঝড়ো হাওয়া ও বর্ষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় ‌আমফান ঝড়ের তীব্রতা কিছুটা কমে আসলেও বিভিন্ন স্থানে জোয়ারের জলে সৃষ্টি হয় জলোচ্ছ্বাস। এর প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে বেড়িবাঁধ। উপড়ে পড়েছে গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি ও ফসল। প্রায় এক কোটি মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

 

 

প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ব্যাসের ঘূর্ণিঝড় আমফানের কেন্দ্র মোটামুটি চার ঘণ্টা সময় নিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানে বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে। সুন্দরবন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় শুরু হয় প্রবল ঝড়ো বাতাসের দাপট। উপকূল অতিক্রম করার সময়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একশ ৫৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় দমকা হাওয়া।

 

 

স্থলভাগে উঠে আসার পর বৃষ্টি ঝরিয়ে কমতে শুরু করে ঝড়ের শক্তি। তবে সারারাতই বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলার পাশাপাশি মধ্যাঞ্চল ও উত্তরের বেশ কয়েকটি জেলায়ও হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। ঝড়ের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ভেঙে গেছে শহররক্ষা ও বেড়িবাঁধ। এতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। জোয়ারের জলে লোকালয়েও ঢুকে পড়ে।

 

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পটুয়াখালী জেলায়। ঝড়ের কারণে উড়ে গেছে গলাচিপার বেশকিছু দোকান। পায়রা নদীর জলের তোড়ে শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালির ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। রাতে জেলা শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে নিউ মার্কেটসহ পৌরশহরের কয়েকটি এলাকায় জলে ঢুকে পড়ে। এতে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকার রাস্তাঘাট। ভেসে গেছে মাছের ঘেরও।

 

 

আমফানের কারণে রাতভর বৃষ্টি ও ঝড়ো হওয়া বয়ে গেছে খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ভোলা, নোয়াখালী, ফেনীসহ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাতিয়াসহ কয়েকটি চর এলাকায় ১০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের কথা জানায় আবহাওয়া অফিস।

Related Articles

Back to top button
Close