fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সুষ্ঠু নিকাশী ব্যাবস্থার অভাবে রায়গঞ্জ শহরের একাধিক ওয়ার্ডে জমা জলের সমস্যায় সাধারণ মানুষ

শান্তনু চ্যাটার্জী, রায়গঞ্জ: জনসংখ্যা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়লেও এখনো সুষ্ঠু নিকাশী ব্যাবস্থা গড়ে ওঠেনি রায়গঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায়। একটু বৃষ্টিতেই রাস্তার উপর জল জমে যায়। সোমবার  ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে জল জমে যায়  কয়েকটি রাস্তায়। যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়েন সাধারন মানুষ। এই সমস্যা নিয়ে তরজায় জড়িয়েছে কংগ্রেস ও তৃণমূল।

উল্লেখ্য দীর্ঘদিন ধরেই একটু বৃষ্টিতে জল জমে যায় দেবীনগর, উকিলপাড়া, বীরনগর সহ বিভিন্ন এলাকায়। আধুনিক নিকাশী ব্যাবস্থা গড়ে নাওঠায় নর্দমার জল এসে মেশে বৃষ্টির জলের সঙ্গে। ফলে দূষিত জল পেরিয়েই চলাচল করতে হয় সাধারণ মানুষকে। এই গুরুত্বপূর্ন এলাকাগুলিতে বহুতল আবাসন, ডাক্তারের চেম্বার, স্কুলের মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তাগুলির উপর হাঁটুজল দাঁড়িয়ে যায়। সাইকেল,বাইক নিয়ে যেতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েন আরোহীর।  জমা জল পেড়িয়ে স্কুলে যেতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। ভোলা সেন নামে এক ব্যাবসায়ী বলেন,” প্রতিবছর বর্ষার সময় রাস্তায় প্রায় হাঁটু জল হয়ে যায়। নোংরা জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয়। জল পেরিয়ে রিক্সা বা টোটো যেতে চায় না।

আরও পড়ুন: বুদবুদে করোনায় আক্রান্ত চা বিক্রেতা, স্যানিটাইজ করা হল গোটা বাজার

এতবছর পার হয়ে গেল অথচ শহরে নিকাশী ব্যাবস্থার উন্নতি হল না। পরিকল্পনা মাফিক নিকাশী ব্যাবস্থা না করা হলে আরো দুর্ভোগ বাড়বে। ” জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত বলেন,” বর্তমানে তৃণমূল পরিচালিত পৌরসভা  নিকাশী ব্যাবস্থার উন্নয়নে কাজ করে নি। সবাই কাটমানি নিয়েই ব্যাস্ত থেকেছেন। আসলে এই পুরবোর্ড মানুষের রায় নিয়ে ক্ষমতায় আসেনি। তাই নাগরিকদের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা নেই। ”  অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রায়গঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস বলেন,” কে এম ডি এম কর্তৃপক্ষ শহরের সুষ্ঠু নিকাশী ব্যাবস্থার জন্য মাষ্টারপ্ল্যান তৈরীর কাজ শুরু করেছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে দুটো জেসিবি কেনা হয়েছে। এগুলি দিয়ে ড্রেন সংস্কারের কাজ হচ্ছে। মোহিত বাবু তো তিনবাবের চেয়ারম্যান ছিলেন। তখন এমপি,এম এল এ,পৌরসভা সব কংগ্রেসের ছিলো। কিন্তু তারা কোনো কাজ করেনি। আজ নিজেদের অপদার্থতা ঢাকার জন্য এই অভিযোগ আনছে কংগ্রেস।

Related Articles

Back to top button
Close