fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বিদেশ যেতে দুগ্গাকে নিতে হচ্ছে জীবাণু নাশক শংসাপত্র

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: দিনকাল বড়ই খারাপ পড়েছে। কৈলাস থেকে কলকাতা কিংবা কলকাতা থেকে আমেরিকা, জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স যেতে মা দুর্গার কখনও ভিসা, পাসপোর্ট লেগেছে বলে শোনা যায়নি। কিন্তু এবার করোনাসুরের দাপটে পরিস্থিতি পাল্টেছে। তাই কুমোরটুলির শিল্পী কৌশিক ঘোষের তৈরি মা দুর্গার বিদেশযাত্রার আগে লাগছে পেস্ট কন্ট্রোলের জীবাণুনাশক শংসাপত্র।

বৃহস্পতিবার কুমোরটুলির স্টুডিও-য় পেনসিলভেনিয়াগামী প্রতিমার শেষমুহুর্তের রূপটান দিচ্ছিলেন কৌশিক। তিনি জানালেন, ‘এবার করোনার জেরে অর্ডার বেশ কম। সব মিলিয়ে ৯ টি প্রতিমা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি,আমেরিকা, কানাডা, ফিনল্যান্ডে। অন্যান্যবার ৩০ থেকে ৩৫ টা ঠাকুরের অর্ডার থাকে। এবার অবশ্য নিয়মকানুনের কড়াকড়ি খুবই। প্রতিমা তৈরি শেষ হওয়ার পর সব মূর্তিকেই স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুনাশ করতে হচ্ছে। তাছাড়া যে প্যাকিং বাক্সে প্রতিমা পাঠানো হয় সেই বাক্সগুলো পেস্ট কন্ট্রোলকে দিয়ে জীবাণু নাশ করে , তাদের দেওয়া শংসাপত্র পাঠাতে হবে। তবেই প্রতিমাগুলো বিদেশে পাঠানো যাবে।’

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত উচ্চমাধ্যমিক-সহ CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বাকি পরীক্ষা

আরও একটা বিষয় লক্ষ্য করার মতো। সোশ্যাল ডিসট্যান্স বজায় রাখার জন্যই হয়তো পাঁচ চালায় প্রতিমা পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করা যাক। সাধারণত বিদেশে যে প্রতিমা পাঠানো হয়, ফাইবারের তৈরি এই মূর্তিগুলো একটি চালায় তৈরি হয়। এবার এক একটি চালায় আলাদা করে আলাদা আলাদা প্যাকিং বাক্সে প্রতিমা পাঠানো হচ্ছে। তবে এবার বিমানভাড়া বড্ড বেশি হওয়ায় মা এবার জাহাজে চেপেই সাগরপারের দেশে যাচ্ছেন।

মায়ের আসতে এখনও ৮০ দিন বাকি। বাঙালি আশায় বুক বাঁধছে, ততোদিনে মা দুর্গা ঠিক করোনাসুরকে বধ করে ফেলবেন। বছরে মাত্র চারটে দিনের জন্য হাপিত্যেশ করে থাকা। কুমোরটুলিও সেই বিশ্বাসে জেগে উঠছে। শহরের অনেক বনেদি বাড়িতে নিয়ম মেনে হলো কাঠামোপুজোও। বর্ষায় মেঘ রোদ্দুরের লুকোচুরির মধ্যে নিরুচ্চারেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন,,, ঠাকুর আসবে কতোক্ষণ।

Related Articles

Back to top button
Close