fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সব ধর্মস্থানের মাটি দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাতৃমূর্তি

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: আনন্দময়ীর আগমনে আনন্দে ভরে যাবে চরাচর। কাশফুলের দোলা, শিউলিঝরা শারদ প্রাতে নতুন আনন্দগানে যেতে উঠবে মর্ত্যবাসী। সেখানে কোনও ধর্ম, জাতির ভেদাভেদ নেই। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মেতে ওঠে মায়ের আরাধনায়।করোনা আবহে সেই ঐতিহ্যই তুলে ধরছে এই শহরের এক সার্বজনীন পুজো।

 

রবিবার সকালে সমস্ত ধর্মস্থানের মাটি এনে মাতৃমূর্তির কাঠামোয় প্রথম প্রলেপ দেওয়া হলো ভবানীপুর চক্রবেড়িয়া সার্বজনীনের পুজোয়। দুর্গাপুজোয় পতিতাপল্লীর মাটি ব্যবহারের রীতিনীতি দীর্ঘদিনের। দেবী দুর্গা যে সবার মা এই সামাজিক বার্তা দেওয়া হয় এই রীতির মধ্য দিয়ে। করোনা আবহে আতঙ্কের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ ভুলে মাতৃ আরাধনার উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ কলকাতার এই পুজো কমিটি। তাই মন্দির, মসজিদ, গুরুদোয়ারা, গির্জাসহ সব ধর্মস্থান থেকে মাটি আনা হয়, যৌনপল্লী থেকেও মাটি আসে। শুধু তাই নয় কংগ্রেস, সিপিএম সহ একাধিক দলের কার্যালয় থেকেও মাটি আসে। এইসব মাটি একত্রিত করে স্যানিটাইজার দিয়ে মেখে মায়ের মুখ ফুটিয়ে তুললেন শিল্পী পূর্ণেন্দু দে।

তিনি জানালেন, ‘ খুঁটি পুজোয় দিন আমরা সব ধর্মের প্রতিনিধিদের ডেকেছি। মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। এ বছর হীরক জয়ন্তী বর্ষ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে আমরা সেভাবে জাঁকজমক করতে পারছি না। আমাদের এবারের পুজোর বার্তা একটাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। মায়ের কাছে আমাদের এই প্রার্থনাই থাকবে করোনা থেকে মুক্তি দাও মা।’
অতিমারির আবহেই বাঙালির সবচেয়ে বড়ো পুজোর প্রস্তুতি চলছে। প্রতিকূলতার মধ্যেও আয়োজনে, উৎসাহে খামতি নেই। এখন অপেক্ষা মায়ের আগমনের। কাউন্ট ডাউন শুরু করোনা সুর বধ পালার।

Related Articles

Back to top button
Close