fbpx
অফবিটহেডলাইন

দুর্গাপুজোয় বাজার মাতাবে কালনার করোনা স্পেশাল শাড়ি

অভিষেক চৌধুরী,কালনা: করোনা আবহের মধ্যেই দুর্গাপুজো। তাই এবার পুজো ফ্যাশনেও করোনার প্রভাব! শাড়িতেও পড়লো সেই ছাপ।   শাড়ি বিক্রির মন্দা বাজারে কালনায় ‘করোনা স্পেশাল’ সেই শাড়ি তৈরী করে লাভের মুখ দেখতে চাইছেন তাঁতশিল্পী থেকে শাড়ী ব্যবসায়ীরা। তাই সকলের কথা ভেবে সাধ্যের মধ্যেই সাধপূরণের চেষ্টা রয়েছে তাঁতশিল্পী ও ব্যবসায়ীদের।দুর্গাপুজোর মরসুমে করোনা স্পেশাল এই শাড়ি সকলের যেমন মন জয় করবে তেমনিই সস্তায় বাজিমাৎ করবে এমনিই দাবি কালনার তাঁতি ও শাড়ি ব্যবসায়ীদের।

করোনা সচেতনতায় ও পুজো উপলক্ষ্যে দুঃস্থ-দরিদ্র মানুষের হাতে তুলে দিতে পূর্ব বর্ধমানের কালনার তাঁতিরা এইবার তৈরী করেন ‘করোনা ষ্পেশাল’ নামের এই শাড়ি।পরে সেই শাড়িকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ভাবনা থেকে শাড়ির দামও রাখা হয় সাধ্যের মধ্যে।তারা আরও জানান যে,করোনা আবহে এই শাড়ি তৈরীর ভাবনা আসে কালনার হাতিপোতা গ্রামের বাসিন্দা ও গবেষক রেজাউল ইসলাম মোল্লা(রানা)-র। দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে তিনি এই শাড়ি দুঃস্থ দরিদ্র মানুষজনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য অর্ডার দেন। সুতির উপর বুটিকের কাজ ছাড়াও ছাপা ও সিল্কের উপর তৈরী এই শাড়িতে রং ও ডিজাইনের বৈচিত্র্য রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে পূর্ব বর্ধমানের কালনার ধাত্রীগ্রামের শাড়ি বিক্রির বাজার গত বছরের তুলনায় বেশ মন্দা।

তাই তাঁতশিল্পীরা শাড়িতে নতুনত্ব এনে বাজার ধরতে চাইছে। তাই শাড়ির ডিজাইনে এনেছে করোনার ভাইরাসের নিখুঁত হাতের ছোঁয়া। রঙ বেরঙের চটকদারি টাঙ্গাইল ও বাম্পার শাড়ির উপর বিভিন্ন রঙের সুতি, সিল্কের শাড়ি তৈরি করছে তাঁত শিল্পীরা। সম্পুর্ণ হাতে বোনা সুতোর সাহায্যে করোনা ভাইরাসের ছবি ফুটিয়ে তুলছেন। সিল্কের হলে পাঁচশো থেকে ছ’শো, সুতির হলে এক হাজার থেকে বারোশো টাকার মধ্যে মিলছে শাড়ি।ইতিমধ্যে অর্ডারও হয়েছে বেশ কিছু। এই বিষয়ে ধাত্রীগ্রাম এলাকার তাঁতি পিন্টু বসাক ও শম্ভু বসাক বলেন,‘এবার তাঁতের শাড়ির ব্যবসা নেই বললেই চলে। যেটুকু চাহিদা আছে তারও ঠিক মত দাম মিলছে না। বাধ্য হয়ে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করোনা ভাইরাসের ছবি শাড়িতে ফুটিয়ে তুলে বাজার ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্ডারও মিলেছে। আশা করছি বাজারে সারা ফেলবে। পুজোয় বিতরণ করার জন্য করোনা স্পেশাল শাড়ির অর্ডারটি প্রথমে আমরা পাই। তারপর থেকেই এই ভাবনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: হাথরাস নিয়ে হৈচৈ করছে কারা

এই বিষয়ে শাড়ি ব্যবসায়ী সুবোধ বসাক বলেন,‘করোনা স্পেশাল এই শাড়ি তৈরীর ভাবনাটি প্রথমে আসে কালনার গবেষক রেজাউল ইসলাম মোল্লার।তিনি প্রথমে দুশো শাড়ির অর্ডার দেন পুজো উপলক্ষ্যে বিতরণ করার জন্য।এরপরেই করোনা বিষয়ক ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে এই শাড়ি যাতে অল্প দামে সকলেই কিনতে পারে সেই দিকটি দেখার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। সাড়ে পাঁচশো টাকা থেকে শুরু এই শাড়ির সুতোও যেমন বেশ ভালো ডিজাইনও বেশ সুন্দর।তাই ক্রেতাদের মন কেড়ে নেবে বলেই আশা রাখছি।

 

Related Articles

Back to top button
Close