fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পুজো মরসুমে ভূতনিতে গঙ্গা নদীতে ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মিল্টন পাল,মালদা:  পুজো মরসুমে ভাঙন আতঙ্কে মালদার ভূতনীবাসী। রাত্রিবেলা থেকেই মালদার ভূতনিতে গঙ্গা নদীতে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। আতঙ্কে এলাকাবাসী। জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন মোকাবিলার কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর।সেচ দফতরের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। অভিযোগ অস্বীকার করে কাজ দ্রুত গতিতে চলছে বলে জানিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল।

সামনেই বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গোপূজো। একদিকে করোনা আবহে অন্যদিকে ভাঙনের ষাঁড়াশী আক্রমনে বির্পযস্ত ভূতনীর বাসিন্দারা। এই সময়ে ঘর গোছাতে ব্যাস্ত থাকে বাঙালি। শুক্রবার রাত্রিবেলা থেকেই মালদার ভূতনীর আনন্দপুর এলাকায় গঙ্গা নদীতে ব্যাপক ভাঙন চলছে। ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাঁধ।এই পরিস্থিতিতে যদি এভাবে ভাঙন চলতে থাকে তাহলে বাঁধে ফাটল ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। বাসিন্দারা কোনরকমে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন। নদী তীরবর্তী বেশ কিছু জমি জলের তলায় তলিয়ে গেছে। যার ফলে পূজো মরশুমে সমস্যায় পরেছে তারা। দিসেহারা গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের এক বাসিন্দা নকুল মন্ডল জানান,এবছর যে ভাবে ভাঙন হচ্ছে তাতে অবস্থা খুব খারাপ। ৫০—৬০টিরও বেশি বাড়ি গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বাঁধের অবস্থা ভালো নয়। বাঁশ কাট দিয়ে ভাঙ রোধের কাজ করছে। আমরা চাই সেচ দফতর সঠিক ভাবে কাজ করুক না হলে অনেক গ্রাম ধ্বংশ হরে যাবে।

আরও পড়ুন: করোনায় বাংলাদেশে মৃত্যু সাড়ে ৫ হাজার, আক্রান্ত ৩ লাখ ৭৭৭৩

বিজেপির মালদা জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ভূতনীতে ভয়ঙ্কর ভাঙন চলছে। আমরা প্রথম থেকে বলেছি জেলা জুড়ে যে ভাবে ভাঙন হচ্ছে তাতে সেচ দফতর সঠিক ভাবে সজাগ দৃষ্টিতে কাজ করে। আজকে সেচ দপ্তর সঠিক ভাবে কাজ করতো তাহলে মানুষকে ভাঙনের কবলে পরতে হত না। সেচ দফতর সঠিক কাজ করলে বিজেপি তাদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে। সোচ দফতর যে কি কারনে এত অবহেলা করছে। যেখানে ভাঙণ প্রবন এলাকা। কি কারনে এই ধরনের কাজ করছে সাধারন মানুষ আর বিজেপি বুঝতে পারছি না। সেচ দফতরের উদাসীনতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

জেলা পরিষদের সভাধীপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল বলেন,অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে এই ভাঙ্গন হয়েছে।তবে সেচ দফতর জরুরী ভিত্তিতে কাজ করেছেন। আর এই টানাপোড়নের মাঝে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।আমাদের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা প্রস্তুত রয়েছে।ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের পাশে আমরা আছি।

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close