fbpx
দেশহেডলাইন

ঝাড়খণ্ডে চলছে টানা বৃষ্টি, মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ২৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়লো ডিভিসি

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: গত কয়েকদিন ধরে চলছে একটানা বৃষ্টি। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে ২৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন বা ডিভিসি। ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মাইথনে প্রথমে দুটি গেট খুলে ৬ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মাইথন জলাধারের আরও ৪ টি গেট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন মাইথন থেকে ছাড়া হয়েছে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক জল। এদিন পাঞ্চেত থেকে জল ছাড়া হয়েছে ১৪ হাজার কিউসেক জল। ডিভিসি মাইথনের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক অপূর্ব সাহা বলেন, যে পরিমাণ জল ছাড়া হচ্ছে তাতে আশঙ্কার কিছু নেই। এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক পরিমানেই জল ছাড়া হচ্ছে।

ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইথন জলাধারের জলস্তর বিপদ সীমা ৪৮০ ফুটের প্রায় কাছাকাছি জল উঠেছে। অন্যদিকে, পাঞ্চেত জলাধারের জলস্তর বিপদ সীমা ৪১২ ফুট পর্যন্ত জলস্তর প্রায় চলে এসেছে। ডিভিসি জানায়, দুই জলাধারেই এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে জল রয়েছে। আরও কয়েক দিন একটানা বৃষ্টি হলে একসঙ্গে অনেকটা জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তাই আগে থেকেই এই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টিপাতের পরিমান বাড়লে, তখন তিলাইয়া জলাধার থেকে জল ছাড়া হয়। তখন সেই জল মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে এসে জমা হয়। গত কয়েকদিন ধরে ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হওয়ায় তিলাইয়া জলাধার থেকে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক জল মাইথনে এসে জমা হয়েছে। পাঞ্চেতে জমা হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কিউসেক জল। সেইজন্য দুই জলাধার থেকে বৃহস্পতিবার জল ছাড়া হয়েছে।

প্রতি বছরই দামোদরের জলে তার নিম্ন অববাহিকা অর্থাৎ বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায় বা বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়। বিশেষ করে ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি বেশি হলেও জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়ার কারণেই দামোদর অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই এবারে একসঙ্গে জল না ছেড়ে দফায় দফায় ছাড়তে চাইছে ডিভিসি কতৃপক্ষ।

Related Articles

Back to top button
Close