fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে ফের হানা ইবি-র

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেশ কয়েকদিন ধরেই আকাশছোঁয়া আলুর দাম। বাজারে আলু কিনতে গেলেই ছ্যাকা খাচ্ছে ক্রেতারা। শহরে বাজারে আলুর চড়া দামে কপালে ভাঁজ পড়ে ছিল ক্রেতাদের। ইতিমধ্যেই আলুর দাম বেঁধে দিয়েছে নবান্ন। কিন্তু তাতে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দাম বেড়েছে আলুর। আর তাই মঙ্গলবার ফের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা মানিকতলা বাজার হানা দিলেন।
ক্রমেই আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে শাক সব্জির দাম। স্বাভাবিক ভাবেই যা মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এদিন সকালে তারা দীর্ঘক্ষন বাজার পরিদর্শন করেন এবং সমস্ত আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। ইবি’র তরফে আলু ব্যবসায়ীদের বলা হয় তারা যেন ৩০ টাকা দামের বেশি আলু বিক্রি না করেন।
ইবির তরফে এদিন ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, একজনের জন্য পুরো বাজারের বদ নাম হচ্ছে অর্থাৎ সমস্ত আলু ব্যবসায়ী একই দামে আলু এখানে বিক্রি করতে হবে। যারা বেশি দামে আলু বিক্রি করছেন তাদেরকে আধিকারিকরা ধমক দেন । পাশাপাশি আলুর দাম তারা নির্দিষ্ট পরিমাণের ধার্য করে দেন । ৩০ টাকার বেশি আলু বিক্রি করা যাবে না।
চন্দ্রমুখি থেকে জ্যোতি আলুর দামে হাত পুড়ছে শহরবাসীর। খাদ্য প্রিয় বাঙালির পাতে আলু পরাই এখন দায় হয়ে উঠেছে। তবে আলুর দামে রাশ টানতে করা রাজ্য সরকার। এদিন আলুর দাম খতিয়ে দেখতে মানিকতলা বাজারে হানা দেন ইবি আধিকারিকরা। কথা বলেন বিক্রেতাদের সঙ্গে। ঠিক কত টাকা দরে আলু বিক্রি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এছাড়া ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন ইবি আধিকারিকরা। তাঁরা কতদিন ধরে কত টাকা দরে আলু কিনছেন, সে বিষয়েও প্রশ্ন করা হয় তাদের। কিন্তু আআধিকারিকরা দেখেন কিছু আলু ব্যবসায়ী ৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছেন। তাদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানিয়েছেন, তাদের আলু কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। তাদের পক্ষে ৩০ টাকা দামে আলু বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তারা ৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছেন।
 বারবার করে বারণ করা সত্ত্বেও কিছু হোলসেলার বেশি টাকা দামে খুচরা ব্যবসায়ীদের আলু বিক্রি করছেন এবং তার ফলে আলু ব্যবসায়ীরাও বেশি দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আলু পরিদর্শনের পাশাপাশি পেঁয়াজের দামও খতিয়ে দেখেন ইবি আধিকারিকরা।

Related Articles

Back to top button
Close