কলকাতাহেডলাইন

শিক্ষাকর্মীদের অন্দোলনে ঢোঁক গিলল রাজ্য অবশেষে প্রকাশিত হল পৃথক রোপা

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা:   শিক্ষাকর্মীদের অন্দোলনের জেরে ঢোঁক গিলতে বাধ্য হল রাজ্য। অবশেষে প্রকাশিত হল পৃথক । শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল নতুন বিধি মেনে বেতনক্রম চালু করা হোক। সে স্বপ্ন এবার পুরণ হতে চলেছে।  সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দাবি মেনে অবশেষে প্রকাশিত হল পৃথক রিভিশন অ্যান্ড পে অ্যালাওয়েন্স () ২০১৯ বিধি৷ তবে, গ্রাজুয়েট শিক্ষক TGT স্কেল ও ৪৬০০ গ্রেড পে সহ বেশ কিছু বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে৷ তবে, পরবর্তী সময়ে সেই সমস্ত ধোঁয়াশা কাটিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে বলে সূত্রের খবর৷

যদিও, চলতি মাসেই শিক্ষকদের জন্য রোপা বিধি যে আসতে চলেছে তা শিক্ষক মহলে খবর ছিল। শুক্রবার শিক্ষা দপ্তরের তরফে শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ বেতন বিবরণী অংশে একটি বিজ্ঞপ্তি গ্যেজেট নোটিফিকেশ প্রকাশ করা হয়েছে৷ তাতে শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিয়ে পৃথক রোপার বিধি অনুযায়ী অপশন ফর্ম দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ প্রাথমিক শিক্ষক থেকে আংশিক সময়ের জন্য নিযুক্ত শিক্ষক, পার্শ্ব শিক্ষকদের অপশন ফর্ম দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, গ্রাজুয়েট শিক্ষক TGT স্কেলের বিষয়টি পরে তালিকা ভুক্ত করা হতে পারে৷ ইতিমধ্যেই শিক্ষকদের দুটি স্তরে পে ব্রান্ড ও গ্রেড পের তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে৷ সেই অনুযায়ী ধার্য হবে নয়া বেতন কামাঠো৷

আরও পড়ুন: মমতা দেবী আসল মুখটা দেখিয়ে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ মুকুলের

ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার পর সেপ্টেম্বরে ‘রোপা ২০১৯’ বিধি সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে, তাতে অপশন ফর্ম পূরণের কথা উল্লেখ করা হয়৷ নির্দেশ অনুযায়ী ২০১৬ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন হার কার্যকর করার কথা বলা হয়৷ একই সঙ্গে কোনও বকেয়া পাওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়৷ তবে, বকেয়া না দিলেও ‘ন্যাশানাল’ এফেক্ট হিসাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন হার কার্যকর করতে চলছে৷ তার জেরেই প্রতি বছরে তিন শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি ধরে কর্মীদের বর্ধিত বেতন হার নির্ধারিত করেছে রাজ্য৷

অপশন ফর্মে কর্মীরা আপাতত যে হারে বেতন নিচ্ছেন, তা অব্যাহত থাকবে৷ আবার পরবর্তী পদোন্নতির সময় থেকে তিনি নতুন হারে বেতন নিতে পারেন৷ সেই অপশনও দেওয়ার সুযোগ আছে৷ তবে, এর আগে ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ১২ মাসের বকেয়া দেওয়া হলেও এবার বকেয়া পাওয়ার সুযোগ কোনও নেই৷ নির্দেশিকা মেনে পে ফিক্সেশন ফর্মের মাধ্যমে কর্মচারীদের নাম, স্কুল, কত সালে কাজে যোগদান করেছেন, উচ্চ মাধ্যমিকে কত শতাংশ নম্বর পেয়েছেন, পে-ব্র্যান্ড কত, গ্রেড পে হিসাবে সেইসব শিক্ষকরা কত টাকা বেতন পান, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে৷

(shreyashree)

Related Articles

Back to top button
Close