fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাকি বকেয়া বিল, বিদ্যুৎ সংযোগের আশঙ্কায় রাষ্ট্রায়াত্ত HFC আবাসিকরা

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: বিদ্যুৎ সংযোগ বাবদ প্রায় ৬ লক্ষ টাকার জমা দেওয়ার দাবীতে নোটিশ রাজ্য বিদ্যুৎ বিভাগের। পাহাড় প্রমান ডিপোজিট জমা দিতে অপারগ রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজার কর্পোরেশন(এইচএফসি)। বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছন্ন হওয়ার শঙ্কায় আতঙ্কে আবাসিকরা। ডিপোজিট মিটিয়ে ব্যাক্তিগত সংযোগের ছাড়পত্রের দাবীতে সরব হল দুর্গাপুরে বন্ধ এইচএফসি আবাসনের আবাসিকরা। রবিবার সেই মর্মে কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিতভাবে আবেদন জানাল।

প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজার কারখানা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। সংস্থার আবাসনে প্রায় ১৬৮ পরিবার রয়েছে। সকলেই একসময় এইচএফসির কর্মী ছিলেন। চলতি মাসের ৭ তারিখে টাউনশিপের বিদ্যুৎ বাবদ ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৮৩২ টাকা এক মাসের মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দেওয়ার নোটিশ পাঠায় রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ। শুধু তাই নয়, ওই টাকা জমা না দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করারও হুঁশিয়ারী দেয় রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ। আর সেই আশঙ্কায় রাতের ঘুম ছুটেছে বন্ধ এইচএফসির আবাসিকদের। রবিবার ওই ডিপোজিট জমা দিয়ে ব্যাক্তিগত ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ছাড়াপত্র দেওয়ার দাবীতে সরব হয় আবাসিকরা। এদিন সেই মর্মে একটি আবেদন পত্র কারখানা কর্তৃপক্ষের দুর্গাপুর ইউনিট ইনচার্জের কাছে জমা দেয়। আবাসিক দের মধ্যে সুমন ব্যানার্জী জানান,”কর্তৃপক্ষ ওই ডিপোজিট দেওয়া সম্ভব নয় বলেছে। যদি না দেয় তাহলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবে বলেছে। ততেই আতঙ্কে বজ্রপাতের মতো অবস্থা প্রবিন আবাসিকদের। প্রায় সকলে বৃদ্ধ। করোনা আবহে এই বয়সে কোথায় যাবে, কি করবে আতঙ্কে রয়েছে। তাই আপাতত এদিন লিখিত দাবী জানিয়েছি। সিকিউরিটি ডিপোজিট যাতে জমা দেয় কর্তৃপক্ষ। আলাদা করে ব্যাক্তিগতভাবে ডোমিস্টিক সংযোগ দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হোক। এবং সংস্থার বিদ্যুৎ পরিকাঠামো ব্যাবহার করতে দেওয়া হোক।” যদিও এদিন এইচডিএফসির দুর্গাপুর ইউনিট ইনচার্জ গৌতম বিশ্বাস জানান,” প্রায় কুড়ি বছর আগে কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে ওই টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। বলেছে, নিজেরা যেন আলাদা করে আবেদন করে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে নেয়।”

Related Articles

Back to top button
Close