fbpx
পশ্চিমবঙ্গ

হাতির তাণ্ডব বেড়েছে জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রামে

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমন যাতে না ছড়ায়, তার জন্য গত দু মাসের বেশি সময় ধরে সামাজিক ব্যবধান বজায় রাখতে চলছে লক ডাউন। আর তার জন্য জঙ্গলমহলের ঝাড়্গ্রাম জেলার জঙ্গল লাগোয়া গ্রাম গুলিতে বেড়েছে হাতির তান্ডব। যেহেতু দেশ, রাজ্য জুড়ে চলছে লক ডাউন তাই এই সময় সেভাবে হাতিকে মুভমেন্ট করতে পারছে না বন কর্মীরা। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য অনেক কম সংখ্যক হুলা পার্টি দিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করছে বন দফতর।

এদিক লোক সংখ্যা কম হওয়ার জন্য অনেক সময় হুলা পার্টির লোকজেরাও আসতে চাইছে না বলে বনদফতর সুত্রে জানা গিয়েছে। তার উপরে আম্ফান ঘুর্ণী ঝড়ে ষাট শতাংশের বেশি ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে কৃষকদের ।জেলা কৃষি দফতরের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে ১৬ হাজার ৮৭৫ হেক্টর বরো ধান, ৫ হাজার ১৫১ হেক্টর তিল, ১ হাজার ৩২৫ হেক্টর সবজি, ২ হাজার ৪১৫ হেক্টর বাদাম চাষের ক্ষতি হয়েছে।এছাড়াও করলা, ঝিঙে সহ আরো নানা ধরনের সবজি চাষের ক্ষতি হয়েছে। তার উপর সারা বছর ধরেই লেগে থাকে দলমা দলের তান্ডব। সব জঙ্গলমহলের কৃষকদের কপালে হাত পড়েছে। বন দফতর সুত্রে জানা গিয়েছে গিধনী রেঞ্জের আমতলিয়া বীটের চান্দুয়া এলাকায় ৯ টি, রেঞ্জ : হাতিবাড়ি রেঞ্জের আমজুড়ি বীটের দলদলি এলাকায় ৫ টি, ঝাড়গ্রাম রেঞ্জের বান্দরভোলা বীটের শালবনিতে ৪ টি,জাম্বনী রেঞ্জের চিচিড়া বীটের খাসজঙ্গল এলাকায় ৭ টি হাতি রয়েছে। যদিও বনদফতরের দাবি হাতি গুলিকে সেভাবে মুভমেন্ট করাতে না পারলেও মনিটরিং করা হচ্ছে। এমনকি বেশ যে সব এলাকায় হাতির তান্ডব বেশি সেই সমস্ত এলাকার গ্রামবাসীদেকে হাতি তাড়ানোর জন্য হুলা, মোবিল সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে ঝাড়্গ্রামের ডিএফও বাসব রাজ হোলচ্চি বলেন,” ঝাড়খন্ড বর্ডার এলাকায় বেশ কিছু হাতি রয়েছে। ওই হাতি গুলো কখনো বাংলা আবার কখনো ঝাড়খন্ডের দিকে থাকছে। এছাড়াও কয়েকটি স্থায়ী হাতি রয়েছে। এছাড়া ঝাড়্গ্রাম বন বিভাগে আর হাতি নেই। তবে হাতি গুলিকে মনিটরিং করা হচ্ছে। “

Related Articles

Back to top button
Close