fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভাঙন অব্যাহত মালদায়, কাজ শুরু করল সেচ দফতর

মিল্টন পাল, মালদা: ফের ভাঙন অব্যহত মালদায়। মানিচকের ভূতনিতে ভাঙন শুরু হতেই রাত জেগে কাজ শুরু করলো সেচ দফতর। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে জরুরী কালীন পরিস্থিতিতে গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার থেকে ভুতনি থানার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হঠাৎ করেই ভাঙন শুরু হয়। আর সেই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ শুরু করে সেচ দপ্তর । নৌকায় করে বালির বস্তা বিশেষ পদ্ধতিতে নেটের মাধ্যমে মুড়িয়ে নদী ভাঙন ঠেকানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির তদারকি করছেন সেচ দফতরের ইঞ্জিনিয়ার থেকে জেলা প্রশাসনের কর্তারা।‌ সেচ দফতর এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গায় জলস্তর কমতে শুরু করাই ভূতনির কয়েকটি এলাকাতে ভাঙন শুরু হয়েছে।

      আরও পড়ুন: একুশের আগে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত

ভুতনি থানার অন্তর্গত হীরানন্দপুর এবং উত্তর চন্ডিপুর  গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার অংশ গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে। আর সেই পরিস্থিতির কথা জানতে পেরেই সেচ দফতর ভাঙন মেরামতির কাজ শুরু করেছে। হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাজল মন্ডল বলেন, প্রায় ১০০ মিটার নদীপারের অংশ ভাঙ্গনে তলিয়ে গিয়েছে। সেচ দপ্তর বাঁশ দিয়ে এবং বালির বস্তা ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করেছে। মানিচকের বিধায়ক মোত্তাকিন আলম জানান, যেসব এলাকায় ভাঙ্গন হয়েছে, তার সামান্য দূরে রয়েছে রিং বাঁধ। সেই বাঁধ এলাকায় ভাঙন শুরু হলে ভুতনি এলাকাজুড়ে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে সঠিক সময়ে গোটা ভুতনি এলাকা জুড়ে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ করুক সেচ দপ্তর।

মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল বলেন, ভূতনির ভাঙন পরিস্থিতি নজরে আছে। এব্যাপরে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের তৎপরতায় ভাঙ্গন দেখা দিতেই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ভুতনির বিভিন্ন এলাকায় কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর। সেচ দফতরের মালদার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রণব কুমার সামন্ত জানান, ভাঙন শুরু হতেই রাত জেগে কাজ শুরু করা হয়েছে । পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে মধ্যে রয়েছে ।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close